kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


দেশ পরিচিতি

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



দেশ পরিচিতি

গ্যাবন

মধ্য আফ্রিকার দেশ গ্যাবন। উত্তর-পশ্চিমে ইকুয়াটরিয়াল গিনি, উত্তরে ক্যামেরুন, পূর্ব ও দক্ষিণে কঙ্গো এবং পশ্চিমে গিনি উপসাগর।

ওই অঞ্চলের স্থিতিশীল দেশগুলোর অন্যতম গ্যাবন।

১৯৬০ সালে ফ্রান্স থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। তার পর থেকে মাত্র তিন ব্যক্তি দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সাবেক প্রেসিডেন্ট ওমর বঙ্গো চার দশকের বেশি সময় ধরে দেশটি শাসন করেন। তাঁর শাসনামলে ফ্রান্সের সঙ্গে গ্যাবনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। তার আমলে প্রচলিত ব্যবস্থার নাম ‘ফ্রান্স-আফ্রিকা’। এ ব্যবস্থায় ব্যবসায়িক সুবিধার বিনিময়ে ফ্রান্সের কাছ থেকে রাজনৈতিক ও সামরিক সহায়তা পেত গ্যাবন। তবে ২০০৯ সালে বঙ্গোর ছেলে আলী বঙ্গো ওনডিমবা ক্ষমতায় আসার পর প্রেসিডেন্ট পরিবারের সম্পদ নিয়ে ফ্রান্স দুর্নীতির তদন্ত শুরু করলে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক শীতল হতে শুরু করে।

তেলসম্পদে ভরপুর গ্যাবন। বিদেশি বিনিয়োগও ভালো। জনসংখ্যার ঘনত্ব কম।   দেশটির এক-তৃতীয়াংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। এর প্রধান কারণ আয়-বণ্টনে বৈষম্য।

একনজরে

পুরো নাম : গ্যাবন প্রজাতন্ত্র।

রাজধানী ও সবচেয়ে বড় শহর : লিব্রেভিল।

সরকারি ভাষা : ফরাসি।

উল্লেখযোগ্য জাতিগোষ্ঠী : ফাং (২৮.৬%), পুনু (১০.২%), এনজেবি (৮.৯%)।

সরকার পদ্ধতি : প্রেসিডেন্ট শাসিত প্রজাতন্ত্র।

প্রেসিডেন্ট : আলী বঙ্গো ওনডিমবা।

প্রধানমন্ত্রী : ড্যানিয়েল ওনা ওনডো।

আইনসভা : উচ্চকক্ষ সিনেট, নিম্নকক্ষ জাতীয় পরিষদ।

স্বাধীনতা : ফ্রান্স থেকে ১৭ আগস্ট ১৯৬০।

আয়তন : দুই লাখ ৬৭ হাজার ৯৯৭ বর্গকিলোমিটার।

জনসংখ্যা : ১৪ লাখ ৭৫ হাজার।

ঘনত্ব : প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৫.৫ জন।

জিডিপি : মোট ৩৬.৫৩৭ বিলিয়ন ডলার।

মাথাপিছু : ২২ হাজার ৪০০ ডলার।

মুদ্রা : কেন্দ্রীয় আফ্রিকান ফ্রাঙ্ক।

জাতিসংঘে যোগদান : ২০ সেপ্টেম্বর ১৯৬০।

 গ্রন্থনা : তামান্না মিনহাজ


মন্তব্য