kalerkantho


ক্যাম্পাস টিপস

পড়াশোনায় গোছালো হতে

অন্যদের চেয়ে নিজেকে আলাদা প্রমাণ করতে অগোছালো হওয়াটাও একটা বাতিক। তবে এই ‘অগোছালো’ হয়ে যদি কাজের কাজ কিছু না হয়, তবে গোছালো হওয়াই উত্তম। গোছালো হওয়ার অন্যতম সুবিধাটা হলো এতে তোমার মাথা কাজ করবে দ্রুত। হয়ে উঠবে আরো সৃজনশীল। গোছালো হওয়ার কিছু টিপস দিচ্ছেন ধ্রুব নীল

১৪ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



♦    দিনটা শুরু হোক নিজের বিছানা গোছানোর মধ্য দিয়ে। পরামর্শটা দিয়েছিলেন আমেরিকার নেভি অ্যাডমিরাল ম্যাকরাভেন। নিজের ভেতর প্রেষণা আর সৃজনশীল চিন্তাভাবনার ইঞ্জিনটা চালু করতে নাকি এর জুড়ি নেই। কয়েক দিন সকাল সকাল বিছানা ছেড়ে সব গুছিয়ে রেখেই দেখো না!

♦ রাতেই গুছিয়ে রাখো স্কুলব্যাগ। সকালের তাড়াহুড়োর টেনশন থেকে বাঁচবে। এতে করে শান্তিতে থাকবে তোমার অবচেতন মনটাও। ঘুমও হবে ভালো। আবার ভুল করে কিছু ফেলে যাওয়ার হাত থেকেও বাঁচবে।

♦ ক্লাসের যে পড়াগুলো চলছে, সেগুলো নিয়ে নিজে থেকে একগাদা প্রশ্ন তৈরি করে রাখো আগে থেকেই। যেটা বুঝতে সমস্যা হবে, সেটাই লিখে রাখবে প্রশ্ন আকারে। এটা এমন হলো কেন? এর সঙ্গে ওটা মেশালে কী হবে? এটা কেন হবে না? প্রশ্ন যত বাড়বে, তত গুছিয়ে নিতে পারবে ওই বিষয়টি।

♦    সপ্তাহে অন্তত একদিন পড়ার রুম থেকে অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, কাগজের টুকরা কিংবা ছেঁড়া খাম সরিয়ে ফেলো। এতে করে অহেতুক কোনো বস্তু হুট করে তোমার মনোযোগ কেড়ে নিতে পারবে না।

♦ নিজের মনোযোগটাকে দামি একটা জিনিস ভাবতে শেখো। এটা জেনে রাখো যে তোমার মনোযোগ কেড়ে নিয়ে দু-হাতে টাকা কামাচ্ছে এমন প্রতিষ্ঠানের অভাব নেই। তাই মনটাকেও গুছিয়ে নাও মনে মনে। পড়াশোনায় মন দিলে নিজের লাভ হবে—এমন মানসিক অবস্থায় চলে আসতে পারলে ব্রিলিয়ান্ট খেতাব জুটতে বেশি সময় লাগবে না।

♦ ক্লাসে একরডিওন ফোল্ডার ব্যবহার করো। অনেক খোঁপওয়ালা এ ফাইলে প্রতিটি বিষয়ের আলাদা করে নোট রাখলে গোছানোর কাজে বাড়তি সময় যাবে না।

♦ পড়ার ঘরের দরজায় স্টিকি নোট লাগানোর অভ্যাসটাও মন্দ নয়। টুকটাক অনেক কিছুই মনে রাখতে হয়। স্টিকি নোট আকারে চোখের সামনে থাকলে সে কাজ করার প্রতি মন নিজে থেকেই তৈরি হয়ে যাবে।

♦ হাতের কাছে দুই মিনিটের ছোটখাটো কোনো পড়া বা লেখার কাজ যদি পড়ে থাকে তবে সেটা তাত্ক্ষণিকভাবে সেরে নাও। ফেলে রাখলে ভুলেই যেতে পারো।



মন্তব্য