kalerkantho

প্রাইম ইউনিভার্সিটি

আপনার জন্য

ইসলাম মো. আরিফুল   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



আপনার জন্য

২০০২ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে মানসম্মত শিক্ষার্থী তৈরিতে ভূমিকা রাখছে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রাইম ইউনিভার্সিটি। ঢাকার মিরপুর-১ নম্বর সেকশনের মাজার রোডে, এক লাখ ৪৬ হাজার বর্গফুট আয়তনের স্থায়ী ক্যাম্পাসে, ১১ তলা ভবন ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধায় পরিচালিত হয় এর শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম। প্রতিটি অনুষদের জন্য আলাদা ফ্লোর, বিশাল মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, সেমিনার হল, আধুনিক যন্ত্রপাতি, ১৮টি ল্যাব, অনলাইন সুবিধাসহ ৩০ হাজার বইয়ে সমৃদ্ধ লাইব্রেরি রয়েছে এখানে। বিজনেস স্টাডিজ, ইঞ্জিনিয়ারিং, ইনফরমেশন টেকনোলজি (আইটি), আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্স, ল—এই পাঁচটি অনুষদে এখন পড়াশোনা করছে চার হাজারের মতো শিক্ষার্থী। শুধু দেশি নয়, দিন দিন বিদেশি শিক্ষার্থীদের কাছেও প্রিয় ক্যাম্পাস হয়ে উঠছে এটি। প্রাইম ইউনিভার্সিটির ফ্যাকাল্টি অব বিজনেস স্টাডিজের দায়িত্ব পালন করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘আইবিএ’র শিক্ষক প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর আলম। তাঁর নেতৃত্বে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং, অ্যাকাউন্টিং, মার্কেটিং, এইচআরএম ও এমআইএস (অনার্স) কোর্সে চার বছর মেয়াদি বিবিএ প্রগ্রামে তৈরি হচ্ছে ভবিষ্যতের দক্ষ জনশক্তি। এ ছাড়া দুই বছর মেয়াদি রেগুলার এমবিএ ও কর্মজীবীদের জন্য এক্সিকিউটিভ এমবিএ প্রগ্রামও চালু রয়েছে এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। ড. জাহাঙ্গীর আলম জানান, ‘আমাদের মেধাবী শিক্ষকরা সুশৃঙ্খলভাবে এই অনুষদের শিক্ষার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন।’ বিবিএ (এইচআরএম) শিক্ষার্থী ইমরান আহমেদ জানান, ‘ভবিষ্যতে সফল উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন থেকেই এখানে পড়ছি।’ বিজনেস স্টাডিজের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদ ফারজানার দাবি, ‘আমাদের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগটি সুশৃঙ্খল, তাত্ত্বিক ও ব্যাবহারিক দৃষ্টিকোণ থেকে আদর্শ অনুষদ।’ সহযোগী অধ্যাপক ঈমান হোসেনের ভাষ্য, ‘গতানুগতিক পড়াশোনা করে চাকরির বাজারে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করা দুরূহ। তাই তাত্ত্বিক পাঠের পাশাপাশি তথ্য ও প্রযুক্তি শিক্ষার প্রতিও গুরুত্ব দিয়ে থাকি আমরা।’ অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য প্রফেসর ড. এম আবদুস সোবহান বলেন, ‘গুণগত মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য শিক্ষাসহায়ক আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহ ও দক্ষ শিক্ষক নিয়োগের দিকটি আমরা বিশেষভাবে খেয়াল রাখি। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠ্য বইয়ের পাশাপাশি নিয়মিত বিষয়ভিত্তিক সেমিনার, ক্যারিয়ার গঠনমূলক ওয়ার্কশপ, সিম্পোজিয়াম, আইটি মেলা, স্টাডি ট্যুর, গণিত অলিম্পিয়াড ও খেলাধুলায় অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হয়।’ ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মীর শাহাবুদ্দিন বলেন, ‘দক্ষ পেশাজীবী তৈরির লক্ষ্যে আমরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছি, যেন শিক্ষাজীবন সমাপ্তির সঙ্গে সঙ্গেই ছাত্র-ছাত্রীরা দ্রুত কর্মজীবনে প্রবেশ করতে পারে।’ 

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১০ অনুযায়ী এখানে ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী বিনা বেতনে পড়াশোনা করছে। এ ছাড়া প্রতি সেমিস্টারে কমপক্ষে ১১ শতাংশ দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীও পাচ্ছেন এ সুযোগ। অন্যদিকে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান, আদিবাসী শিক্ষার্থী, স্বামী-স্ত্রী, আপন ভাই-বোন, সংস্কৃতিকর্মী, খেলোয়াড়—এমন বিভিন্ন কোটায় শতভাগ পর্যন্ত বিনা বেতনে পড়ার ব্যবস্থা রয়েছে।



মন্তব্য