kalerkantho


নবপ্রাণে ছড়ান উদ্ভাবনের আলো

আবদুল্লাহ আল মনসুর   

৭ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



নবপ্রাণে ছড়ান উদ্ভাবনের আলো

ছবি : খলিলুর রহমান ফয়সাল

♦ ২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে তিনি ‘এসএমএসে’ ভর্তির কার্যক্রম চালু করেছেন। এর মাধ্যমেই দেশে ডিজিটাল ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। ভর্তির মতো জটিল প্রক্রিয়াকে তিনি সহজ করে দেন। এখন দেশের বেশির ভাগ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পদ্ধতিটি অনুসরণ করছে। এই উদ্ভাবনের জন্য তিনি ২০১০ সালে ‘এম বিলিয়নথ অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন। এসএমএসে ভর্তি কার্যক্রম উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁকে ড. এম ওয়াজেদ মিয়া আইআইসিটি ভবনটি গবেষণার জন্য উপহার দিয়েছেন।

♦ বিশ্বের প্রথম বাংলা সার্চ ইঞ্জিন পিপীলিকার সঠিক পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে আড়ালে চলে গিয়েছিল। কিন্তু তিনি এর পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে চলেছেন। কিছুদিন পর পর শিক্ষার্থীদের নিয়ে নতুন নতুন ফিচার নিয়ে হাজির হন। এই ফেব্রুয়ারিতেও তিনি নতুন ফিচার নিয়ে হাজির হয়েছিলেন।

♦ ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে তাঁর তত্ত্বাবধানে দেশের প্রথম চালকবিহীন বিমান আকাশে ওড়ে। এই ড্রোনের পর ব্যাপক হারে ড্রোন চর্চা শুরু করেন ছাত্র-ছাত্রীরা। ড্রোন এখন ফসল, আবহাওয়ার নয়; মানুষ রক্ষার কাজেও ব্যবহার করা হচ্ছে। সিলেটের আতিয়া মহলে জিম্মি উদ্ধারেও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্রোন টিমের প্রধান সৈয়দ রিজওয়ানুল হক নাবিলকে আমন্ত্রণ জানিয়ে আনা হয়েছিল। তাঁদের ড্রোন ব্যবহারের কথাও ভেবেছে যৌথ বাহিনী।

♦ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস কোথায় আছে? আসতে কতক্ষণ লাগবে? মিস হয়েছে? এসব দুশ্চিন্তা ও দুর্ভোগ থেকে শিক্ষার্থীদের বাঁচাতে তাঁর তত্ত্ব্বাবধানে ‘ভেহিকল ট্র্যাকিং ডিভাইস’ তৈরি করা হয়েছে। এটির মাধ্যমে সহজে গাড়ির অবস্থান, ইঞ্জিনের অবস্থা, থেমে আছে না চলছে, গতি, কোন দিকে যাচ্ছে—সবই জানা সম্ভব। বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন বাসে ডিভাইসটি পরীক্ষা করে সফলতা পাওয়া গেছে।

♦ ইংরেজিতে কথা বলা সোফিয়া তো মাতিয়ে গেল। অথচ বাংলায় কথা বলতে পারে এমন রোবট ‘রিবো’ অনেক আগেই বানিয়েছেন তিনি ও তাঁর ছাত্র-ছাত্রীরা। এটি হাত মেলাতে পারে, চোখ, চোখের ভ্রু নাড়াতে পারে, হাত ওপর-নিচ করতে পারে, নাচতে পারে। এই সামাজিক যোগাযোগে সক্ষম রোবট বানাতে তাঁদের খরচ হয়েছে এক লাখ টাকা।



মন্তব্য