kalerkantho


ক্লাবের যত গল্প

প্রতিটি ক্লাবকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পৃষ্ঠপোষকতা করেন। তাদের অনুষ্ঠানেও স্পন্সর করা হয়। এই ক্লাবগুলোর গল্প শোনাচ্ছেন হাবিবুর রহমান

১ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



এই বিশ্ববিদ্যালয়ে আছে মোট ১৮টি ক্লাব। সেগুলোর অন্যতম—আর্ট ক্লাব, বাংলা ক্লাব, বুক ক্লাব, ক্রিকেট ক্লাব, ডিবেট ক্লাব, এনভায়রনমেন্ট ক্লাব, ফিল্ম ক্লাব, ফুটবল ক্লাব, সাইকেল ক্লাব, ডিউক অব এডিনবরা’স অ্যাওয়ার্ড (আইইউবি), গ্রিন প্লানেট ক্লাব, মিউজিক ক্লাব, ফটোগ্রাফি ক্লাব, থিয়েটার ক্লাব, টেবিল টেনিস ক্লাব, ডিভিশন অব স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স ও আইইউবি চেস ক্লাব।

নিজস্ব আয়োজনের বাইরে ছাত্র-ছাত্রীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য সব ক্লাবই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বৃক্ষরোপণ, রক্তদান, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, দুস্থদের সহায়তা করে থাকে। এই ক্লাবগুলোর সাফল্যও অনেক। কিছুদিন আগে হয়ে যাওয়া ১৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল প্রতিযোগিতায় সেরা হয়েছে আইইউবি ফুটবল ক্লাব। ক্লাবের সভাপতি ও বিবিএর ছাত্র আশিকুর রহমান বললেন, ‘আমরা নিজের বিশ্ববিদ্যালয়কে সবার মধ্যে সেরা করেছি। এই সাফল্য গৌরবের। ’ ক্লাব থেকে বিভিন্ন কার্যক্রমেও অংশ নেন ছাত্র-ছাত্রীরা। যেমন ডিউক অব এডিনবরা’স অ্যাওয়ার্ড (আইইউবি)-এর সদস্যরা ঘুরে এসেছেন বৃদ্ধাশ্রমে। সেই গল্পই শোনালেন ক্লাবের সদস্য সৈয়দা ফারিন হোসেন—“এই প্রথম সেখানে গেলাম। তাঁদের জীবন দেখে খুব মায়া লেগেছে। এক বৃদ্ধ নারীর সঙ্গে কথা হলো। তিনি বলেছিলেন, ‘ছেলে-মেয়েরা যখন ছোট ছিল, তখনই তারা ভালো ছিল। বড় হয়ে যাওয়ায় দূরে সরে গেছে। ’ এই কথা বলার পর তিনি কেঁদেছেন। আমিও চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি। ” ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত আছেন এমন অনেকে, যাঁরা ছোটবেলার পর আর খেলার সঙ্গে ছিলেন না। তাঁদেরই একজন ইনতিশার মোস্তফা চৌধুরী। ইংরেজি দ্বিতীয় বর্ষের ওই ছাত্র বললেন, ‘ছোটবেলায় টেবিল টেনিস খেলতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে সেই ক্লাব দেখে আবার খেলার হলো শুরু নতুন করে। বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত টুর্নামেন্টে একবার চ্যাম্পিয়ন, আরেকবার রানারআপ হয়েছি। ’ ডিভিশন অব স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্সের সদস্য এইচ এম শান্ত বললেন, ‘আমাদের লিফলেটগুলো দেখেই ছেলে-মেয়েরা রক্ত দিতে উদ্বুদ্ধ হয়। ’ এই ডিভিশনের উপপরিচালক কাজী ফারুক আহমেদ বলেন, প্রতিটি ক্লাবকেই আমরা পৃষ্ঠপোষকতা করি। প্রতিটি ক্লাবে উপদেষ্টা ও কোচ আছেন। তাঁদের অনুষ্ঠানেও আমরা স্পন্সর করি। ’


মন্তব্য