kalerkantho


ক্যাম্পাস টিপস

নকশা এঁকে শেখা

পড়া, শোনা আর লেখা তো বটেই, নতুন কিছু শিখতে নকশারও জুড়ি নেই। ওইবিডিডটঅর্গ থেকে জানাচ্ছেন ফয়সল আবদুল্লাহ

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



নকশা এঁকে শেখা

ছবি কথা বলে

একটা ছবিই পারে নীরবে অনেক কিছু বলতে। আর তাই কোনো পড়াকে যদি ছবি আকারে কল্পনা করা যায় কিংবা খাতায় এঁকে ফেলা যায়, তবে পরীক্ষায় কল্পনায় ওই ছবিটা দেখেই লিখে ফেলা যায় খুঁটিনাটি সব।

মস্তিষ্কে মানচিত্র

বিবিসির শার্লক সিরিজের ভক্তরা ব্যাপারটার সঙ্গে পরিচিত। মনে মনে দ্রুত মানচিত্র তৈরির কৌশলকে ইংরেজিতে বলে মাইন্ড ম্যাপ। তবে বিষয়টি যে মনে মনেই হতে হবে তা নয়, মূল বিষয়টিকে মাঝে রেখে এর চারপাশে রেখা টেনে জুড়ে দাও সম্পর্কিত সব বিষয়। অনেকটা মাকড়সার জালের মতো। আবার মস্তিষ্কের নিউরাল নেটওয়ার্কের মতো একটা মূল বিষয়ের শাখার পর প্রশাখাও বের হতে পারে। এভাবে নকশা আঁকা (মনে বা খাতায়) হলে একটা বিষয়ের সঙ্গে জড়িত সব শাখা মনে আসবে দ্রুত। বড় রচনা লেখার জন্য কৌশলটা বেশ কাজের।

কৌশলের নাম সেমিওটিকস

ট্রাফিক নিয়মকানুন বোঝার সহজ উপায় কী? প্রতীকগুলো মুখস্থ করে ফেললেই তো হয়। একইভাবে গণিতের সূত্র বা পদার্থবিজ্ঞানের তত্ত্ব মনে রাখতে নিজের মতো করে তৈরি করে নিতে পারো প্রতীক।

আবার বিশেষ কোনো টপিক বুঝতে চাইলে এর জন্য নির্ধারিত প্রতীকগুলোকে পাশাপাশি সাজিয়েও পড়তে পারে। প্রতীক বা চিহ্ন দিয়ে শেখার এ পদ্ধতির নাম সেমিওটিকস।

ডায়াগ্রাম

নকশা আঁকা তো হলো। এবার নকশাগুলোকে একটা কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসা যাক। যাকে বলে ফ্লো-চার্ট বা প্রবাহচিত্র। যার কাজ হলো একটি সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াকে চিত্রের মাধ্যমে ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করা। এই নকশা শুধু যে পড়ার বিষয়ের হতে হবে তা নয়, কোনো কিছু শিখতে হলে মনে মনে কাজের যে ধারাবিবরণী বানাও, সেটাকেও নকশার মতো এঁকে ফেলতে পারো। এতে শেখার প্রক্রিয়ায় কোনো গলদ থাকলে চোখের সামনে স্পষ্ট হয়ে যাবে।


মন্তব্য