kalerkantho


উৎসবের সাজে চুয়েট

কিংশুক পার্থ   

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



একেবারেই অন্য রকম ছিল দিনটি। চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) সেজেছিল উৎসবের সাজে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একপাশে চলেছে প্রশিক্ষণ কর্মশালা। সেখানে মহাকাশ বিষয়ে একে অন্যের যুক্তিগুলো খণ্ডন করেছেন ছাত্র-ছাত্রীরা। তাঁরা বিভিন্ন স্কুল-কলেজে পড়েন। অন্যদিকে চলেছে কুইজ অনুষ্ঠান, গাণিতিক সমস্যা সমাধানের পালা। এই আয়োজনটি হয়েছিল ১৪ জানুয়ারি। প্রতিযোগিতার নাম ছিল ‘চুয়েট ন্যাশনাল স্পেস কার্নিভাল’। সারা দিন ক্যাম্পাসে বসেছে অ্যাস্ট্রোনমি অলিম্পিয়াড, রোবট নিয়ে কর্মশালা, বিতর্ক উৎসব, প্রামাণ্যচিত্রের প্রদর্শনী। বিশাল এই আয়োজনে হাজির হয়েছিলেন ৫০টির বেশি স্কুল-কলেজের ৩০০-এর বেশি ছাত্র-ছাত্রী। তাঁরা সবাই চট্টগ্রামের।

কেন এই আয়োজন, এ নিয়ে বলতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ও উৎসবের আহ্বায়ক তৌহিদুল আলম বলেন, ‘পাঠ্যপুস্তকের গত্বাঁধা লেখাপড়ার বাইরে মহাকাশ নিয়ে তাঁদের মধ্যে আগ্রহ তৈরির জন্যই আমরা এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছি। এখানে মহাকাশের নানা প্রসঙ্গ ছিল। এ ছাড়া রোবট নিয়েও অনেক কিছু জেনেছেন তাঁরা। খেলায় খেলায় শেখানো হয়েছে বলে তাঁরাও বিরক্ত হননি, ভালোভাবেই শিখেছেন। ’ তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের এই আসরের মাধ্যমে তাঁদের মধ্যে মহাকাশ বিষয়ে আরো আগ্রহ তৈরি হবে। ’ তৌহিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, তাঁদের বিভাগের পাশাপাশি এই প্রতিযোগিতার আয়োজনে আরো ছিল ডিজায়ার গ্লাস। এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার আবদুল্লাহ আল তাহমিদ জানালেন, ‘জোতির্বিদ্যা ও মহাকাশ নিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের আগ্রহ আমাকে মুগ্ধ করেছে। আমরা সারা দেশে এমন উৎসব করতে চাই। কারণ আমরা চাই, বিজ্ঞানকে ভালোবাসে এমন একটি প্রজন্ম তৈরি হোক। ’ এই আয়োজনের প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রফিকুল আলম। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে আমি কথা দিচ্ছি, এমন শিক্ষামূলক উদ্যোগে সব সময়ই আমার ক্যাম্পাস সহযোগিতা করবে। কারণ এ ধরনের আয়োজন ছাত্র-ছাত্রীদের মানসিক বিকাশ ঘটায়। ’ উৎসবে আরো অতিথি ছিলেন চুয়েটের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. ফারুকুজ্জামান চৌধুরী, যন্ত্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম ও বিভাগীয় প্রধান ড. সজলচন্দ্র বণিক। এই আয়োজনের মিডিয়া পার্টনার ছিল কালের কণ্ঠ।

 


মন্তব্য