kalerkantho


ক্যাম্পাস টিপস

মন স্থির করার টেকনিক

এর আগে আমরা জেনেছি মনোযোগ বাড়ানোর স্বাস্থ্যসংক্রান্ত কিছু কৌশল। অন্য কৌশলও আছে। ওইডিবিডট অর্গ সাইট থেকে জানাচ্ছেন ফয়সল আবদুল্লাহ

১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



মন স্থির করার টেকনিক

অঙ্কন : মাসুম

হাঁটতে হাঁটতে মেডিটেশন

প্রথমেই সতর্কবার্তা : ব্যস্ত সড়কে বা গাড়ি চলে এমন রাস্তায় এ কাজ করতে যাবে না। হাঁটা উত্কৃষ্ট ব্যায়াম।

সঙ্গে চিন্তাটা যোগ হলেই হয়ে যাবে মেডিটেশন। কিন্তু চিন্তাটা কেমন হবে? ওয়াকিং মেডিটেশন বা হাঁটতে হাঁটতে মেডিটেশনের আছে অনেক রকমফের। তবে তোমার আপাতত দরকার কোনো কিছুতে গভীর মনোযোগ আনা বা মন স্থির করার কৌশলটা আয়ত্ত করা। আর সেটার জন্য হাঁটতে হবে আপাতত উদ্দেশ্যহীনভাবে। অন্যকে বিরক্ত না করে দেখতে হবে কিভাবে সব কাজকর্ম চলছে। কিভাবে একে অন্যের সঙ্গে কথা বলছে, কিভাবে যোগাযোগ হচ্ছে। আর এভাবেই হয়তো পেয়ে যাবে কোনো একটি গবেষণার আইডিয়া। হাঁটতে হাঁটতে দেখলে হকার কিভাবে ক্রেতাদের আকর্ষণ করার চেষ্টা করছে, আর তা পর্যবেক্ষণ করে তুমিও পেয়ে গেলে ব্যবসায়িক যোগাযোগ নিয়ে নতুন কোনো আইডিয়া। আবার রিকশাওয়ালার পেডেলে চাপ দেওয়ার দৃশ্য থেকে পেয়ে গেলে পদার্থবিজ্ঞানের নতুন কোনো সমস্যার সমাধান। এ প্র্যাকটিসটা চলতে থাকলে দেখবে খুব সহজেই মন বসে যাচ্ছে যেকোনো বিষয়ে।

 

একসঙ্গে এক কাজ

মাল্টিটাস্কার হওয়া ভালো। তবে এর মানে এই নয়, একই সময়ে তিনটি কাজ একসঙ্গে করতে হবে। এতে কোনো কাজই ঠিকমতো হবে না। খেতে খেতে পড়া বা টিভি দেখতে দেখতে গিটার শেখা—এর কোনোটাই কাজের নয়। তাই বহু কাজের কাজি হতে চাইলে একসময় একটি কাজেই মনোযোগ দাও। যখন ছবি আঁকা শিখবে তখন গানের সুর-লয়ের দিকে মনোযোগ না দেওয়াই মঙ্গল। আবার পড়ার ফাঁকে নোটিফিকেশন চেক করতে গেলে তো মনোযোগের তেরোটা বাজবেই।

 

বাতি নিভিয়ে

বাতি নেভালে পড়বে কী করে? পড়ার কথা হচ্ছে না অবশ্য। আপাতত মন স্থির করার জন্য মনটাকে তৈরি করতেই বাতি নেভানো জরুরি। তবে গিটারের কর্ড শেখার মতো কিছু বিষয় আছে, যেগুলোয় আঙুলের সঙ্গে মগজের একটা সেতু তৈরি করতে হয়, সেসব শিখতেও অন্ধকার ঘর থেরাপি কাজে আসে। বাইরে থেকে কোনো ধরনের ডিস্টার্ব না করা হলে চিন্তায় গভীরতা বাড়ে। এবার সেই চিন্তাটাকে ঠেলে দাও এমন একটা বিষয়ের প্রতি, যেটা নিয়ে ভাবতে তোমার এত দিন সমস্যা হচ্ছিল। পড়ার বিষয়টাকে নিয়ে কল্পনায় একটা দৃশ্যকল্প বানালেও অনেক সময় মিলবে সমাধান।

 

গোসলে সমাধান

অনেক গবেষণায়ই দেখা গেছে, কোনো কিছু নিয়ে গভীরভাবে ভাবার আগে, বিশেষ করে নতুন কোনো আইডিয়া যদি বের করতে হয়, তবে চটজলদি গোসলটা সেরে নিলেই খুলে যাবে মাথা। আর সঙ্গে যদি খিদে থাকে, তাহলে হালকা স্ন্যাকস-জাতীয় খাবার খেয়ে নিলে ভালো। ভরপেট খাওয়ার পর মনোযোগের কাঁটা বারবার দেখবে বিশ্রামের দিকেই ঝুঁকে পড়ছে।


মন্তব্য