kalerkantho

26th march banner

আয়োজন

ছোটদের বইমেলায়

পিন্টু রঞ্জন অর্ক   

৩০ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



ছোটদের বইমেলায়

শিশু একাডেমির শহীদ মতিউর মুক্তমঞ্চের সামনে দর্শকদের বসার ব্যবস্থা। একটি আসনও ফাঁকা নেই। দর্শক সারিতে বসা সবাই রাজধানীর বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে আসা বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবক। মঞ্চে তখন সিসিমপুর। বুঁদ হয়ে হালুম, ইকরি মিকরি ও শিকুর অভিনয় দেখছে শিক্ষার্থীরা। প্যান্ডেলের দুই পাশেই বিভিন্ন প্রকাশনীর স্টল। মেলায় অংশ নেয় ৫০টি প্রকাশনাপ্রতিষ্ঠান। স্টলে স্টলে ঘুরে বই কিনতেও দেখা গেল অনেককে। বঙ্গবন্ধুর ৯৭তম জন্মদিবস ও শিশু দিবস উপলক্ষে ষষ্ঠবারের মতো আয়োজিত শিশু একাডেমি বইমেলায় গিয়ে চোখে পড়ল এমন দৃশ্য।

মেলা প্রাঙ্গণে কথা হয় মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তানহার সঙ্গে। মায়ের হাত ধরে মেলায় এসেছে। কী বই কিনেছ? জানতে চাইলে মুহম্মদ জাফর ইকবালের ‘বিজ্ঞানের একশো মজার খেলা’ বইটি মেলে ধরে তানহা। জানাল, ‘সাত গোয়েন্দা’ বইটি খুঁজছি। সেটিও কিনব। ’

তানহার মা জাহানারা বেগম বললেন, ‘স্কুল ছুটির পর মেয়েকে নিয়ে মেলায় এসেছি। ঘোরাটাও হলো, বইকেনাও হলো। ’

১৮ মার্চ সকালে মেলার উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। অনুষ্ঠানে শিশু একাডেমির পরিচালক মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন, বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ওসমান গনি প্রমুখ।

মেলায় প্রতিদিনই ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মুক্তিযুদ্ধের গল্প, কবিতা আবৃত্তি, নৃত্যনাট্য, নৃত্য-সংগীত, পাপেট শো ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। প্রথম থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ছিল চিত্রাঙ্কন, গণিতের ধাঁধা, গান, নৃত্য, গল্প বলা, রুবিক্স কিউব, উপস্থিত রচনা, আবৃত্তি, অভিনয়সহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতা। মেলা আয়োজনে সহযোগিতা করে বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতি, পৃষ্ঠপোষকতায় ছিল অগ্রণী ব্যাংক। মেলার প্রতিপাদ্য ছিল ‘নতুন বই পড়ব বেশ, গড়ব সোনার বাংলাদেশ। ’ ১৮ মার্চ শুরু হওয়া মেলা চলে ২৬ মার্চ পর্যন্ত।


মন্তব্য