kalerkantho


মিস্টার অ্যান্ড মিস অলরাউন্ডার ২০১৬

শাহাদাত হোসেন   

২ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



মিস্টার অ্যান্ড মিস অলরাউন্ডার ২০১৬

এটি একটি প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা, নাম ‘মিস্টার অ্যান্ড মিস অলরাউন্ডার ২০১৬’। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে হয়ে গেল এই আসর। উদ্যোক্তা ছিল ক্যাম্পাসের সংগঠন কৃষ্ণচূড়া সাংস্কৃতিক সংঘ। অংশ নিতে নাম লিখিয়েছিলেন নানা গুণের অধিকারী শখানেক ছাত্রছাত্রী। পরে তাঁরা নাচ, গান, অভিনয়, আবৃত্তি, বক্তৃতা ইত্যাদি বিষয়ে পারদর্শিতা দেখিয়েছেন। সেখান থেকে সেরা ১৫ জনকে বিচারকরা ফাইনালের জন্য বাছাই করেন।

২৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হয় ফাইনাল রাউন্ড।

ক্যাম্পাসের মিলনায়তনে চূড়ান্ত পর্ব পরিচালনা করেন মঞ্চ নির্দেশক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা খলিলুর রহমান ফয়সাল। বিচারক ছিলেন আবৃত্তিকার-সংগঠক সুকান্ত গুপ্ত, বিশ্ববিদ্যালয়ের মত্স্য স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান আবদুল্লাহ আল মামুন, কৃষি বিপণন ও ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোস্তাফিজুর রহমান, আবৃত্তিকার গোলজার আহমেদ ও গায়িকা অনামিকা রায়। সবাইকে পেছনে ফেলে মিস্টার অলরাউন্ডার হয়েছেন জিতেন রায়, মিস অলরাউন্ডার জান্নাত তাসনোভা চৌধুরী।

পঞ্চগড়ের ছেলে জিতেন পড়েন কৃষি অর্থনীতি ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে। মায়ের উৎসাহে ছেলেবেলা থেকে নাচ-গান করেন। স্কুল-কলেজ তো বটেই, বিশ্ববিদ্যালয়েও তাঁর এ জন্য সুনাম ছড়িয়ে গেছে। যেকোনো অনুষ্ঠানেই ডাক পড়ে। আর হবিগঞ্জের মেয়ে জান্নাত বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্রী। তিনিও ছোটবেলা থেকে গান-আবৃত্তি করেন। ক্লাস এইটে পড়ার সময় প্রথম বিতর্ক করেছেন,  মঞ্চে অভিনয় করেছেন। শিশু আনন্দমেলায় শ্রেষ্ঠ শিশু অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন।   সেভ দ্য চিলড্রেন, ইউনিসেফ ও এনসিটিএফের বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন।

বছর দুয়েক আগে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ, ইউএনডিপির যৌথ আয়োজনে সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ শিশু সংসদ অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকার হয়ে অধিবেশন পরিচালনার অভিজ্ঞতাও আছে জান্নাতের।

২০০৭ ও ২০১৩ সালে জাতীয় পর্যায়ে আবৃত্তি, ২০০৮ সালে গানে, ২০১১ ও ২০১৩ সালে রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলনে সারা দেশের প্রতিযোগীদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন। জান্নাত সিলেট বেতারের তালিকাভুক্ত শিল্পী, এফএম ১০৫-এর কথাবন্ধু।


মন্তব্য