kalerkantho

শেকৃবি ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ২

শেকৃবি প্রতিনিধি   

২০ মার্চ, ২০১৯ ২২:০৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শেকৃবি ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ২

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) মঙ্গলবার গভীর রাতে শেকৃবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুদ্র নাথ টোটনের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে মিজানের দুই অনুসারী আহত হয়। সংঘর্ষের পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর রুহুল আমিন সংঘর্ষে জড়িত এক জনকে বহিষ্কারের সুপারিশ করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, নবাব সিরাজ উদ্ দৌলা হলে মঙ্গলবার রাতে ১২টায় গণরুমে আসন ভাগাভাগি নিয়ে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুদ্র নাথ টোটনের অনুসারীদের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা শুরু হয়। খবর পেয়ে উভয় গ্রুপের নেতারা তাদের মধ্যস্থতা করে দেয়। এর কিছুক্ষণ পর একই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় গ্রুপ দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়ায়। এতে সাধারণ সম্পাদক মিজানের অনুসারী জাহিদ হাসান তমাল ও ওয়াহিদ আল মর্তুজা আহত হয়।

তমালের মাথায় রক্তক্ষরণ ও মর্তুজার পেটে কামড়ের ক্ষত পাওয়া গেছে বলে জানা যায়। পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সহকারী প্রক্টর রুহুল আমিন সংঘর্ষে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় যুগ্ম সম্পাদক টোটনের অনুসারী বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের লেভেল-১ সেমিস্টার-১ এর শিক্ষার্থী ফাহিম হাসানকে ১ সেমিস্টার বহিষ্কারের জন্য মৌখিকভাবে সুপারিশ করেন। এ ব্যাপারে ফাহিমের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে পাওয়া যায়নি।

শেকৃবি সহকারী প্রক্টর রুহুল আমিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকদের বলেন, সংঘর্ষে জড়িত থাকার প্রমাণের ভিত্তিতে প্রক্টরিয়াল বডির পক্ষ থেকে ১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী ফাহিমকে একাডেমিকভাবে এক সেমিস্টার বহিষ্কারের সুপারিশ করেছি। পরে এ ব্যাপারে অফিশিয়ালি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্র জানায়, শৃঙ্খলা বোর্ডের সভায় অভিযুক্ত ফাহিমকে এক সেমিস্টার বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিষয়টি নোটিশের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে শেকৃবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, হলের গণরুমে বেড সংযোজনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সূত্রপাত। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে এ ব্যাপারে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদানে অনুরোধ করা হয়েছে। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুদ্র নাথ টোটন এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

মন্তব্য