kalerkantho

জাবিতে ছাত্রলীগ নেতার হাতে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের অভিযোগ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

২০ মার্চ, ২০১৯ ১১:২৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জাবিতে ছাত্রলীগ নেতার হাতে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের অভিযোগ

ফেসবুকের স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাবেক শিক্ষার্থী ও দৈনিক বণিক বার্তার ক্রীড়া প্রতিবেদক আহমেদ রিয়াদকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রলীগের এক নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা নাহিদ হোসেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের ৪০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি।

গতকাল মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় শারীরিক লাঞ্ছনা ও নিজের নিরাপত্তা চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে একটি লিখিত অভিযোগপত্র প্রদান করেন ৩৯তম ব্যাচের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সাবেক ওই শিক্ষার্থী।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, আমি প্রায় সময় ক্যাম্পাসে ঘুরতে আসি। কিন্তু গত ৬ মাস যাবৎ অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা আমাকে দেখা মাত্রই শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করে আসছিল। যার প্রেক্ষিতে আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আন্তঃহল ফুটবল খেলা চলাকালীন ছাত্রলীগ সভাপতি মো. জুয়েল রানার উপস্থিতিতে আমাকে লাঞ্ছিত করে নাহিদ হোসেন। এ ছাড়া পরবর্তীতে ক্যাম্পাসে আসতেও নিষেধ করেন। আমি তাৎক্ষণিক শাখা ছাত্রলীগ সভাপতিকে বিষয়টি অবহিত করলে তিনিও আমাকে ক্যাম্পাসে আসতে নিষেধ করেন। এ ছাড়া ক্যাম্পাসে আসলে মারধর করা হতে পারে বলেও হুমকি প্রদান করেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমি বিভিন্ন সময়ে আমার ব্যক্তিগত মতামত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে থাকি। তার প্রেক্ষিতে নাহিদ আমাকে এসব মতামত প্রদান করতে নিষেধ করতেন।

বিষয়টি অস্বীকার করে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা নাহিদ হোসেন বলেন, আমি তাকে কোনোভাবে লাঞ্ছিত করি নাই। আহমেদ রিয়াদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রায় সময় সরকারবিরোধী স্ট্যাটাস দিয়ে থাকে। এ জন্য আমি তাকে নিষেধ করেছি। এ ছাড়া আর কিছু হয় নাই।

এ প্রসঙ্গে শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি মো. জুয়েল রানা বলেন, তাকে কোনো ধরনের হুমকি প্রদান করা হয়নি। এমন কোনো ঘটনাও ঘটেনি। অভিযোগ মিথ্যা। কেন এমন অভিযোগ আনল তা জানি না।

অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান বলেন, অভিযোগপত্র পেয়েছি, রিয়াদ আমাকে আগেও জানিয়েছিল যে তাকে বিভিন্ন সময়ে হুমকি ও লাঞ্ছিত করা হচ্ছে। আগামীকাল অফিস খুললে সহকারী প্রক্টরদের দায়িত্ব দিয়ে দেব। তাঁরা তদন্ত করে দেখবেন ঘটনার সত্যতা কতটুকু, তার ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য