kalerkantho

রাবি মনোবিজ্ঞান বিভাগ

অনুষ্ঠিত পরীক্ষা পুনরায় নেওয়ার দাবি শিক্ষার্থীদের

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

১৬ মার্চ, ২০১৯ ২৩:১২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অনুষ্ঠিত পরীক্ষা পুনরায় নেওয়ার দাবি শিক্ষার্থীদের

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের অনুষ্ঠিত একটি কোর্সের পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় নেওয়ার দাবি জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা। শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে শিক্ষার্থীরা এ দাবি জানান। 

শিক্ষার্থীরা জানান, দুইদিন আগে কানিজ ফাতেমা নামে তাদের এক সহপাঠীর বাবা মারা যায়। এতে ফাতেমা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং পরীক্ষায় প্রস্তুতিও নিতে পারেনি। প্রস্তুতি ছাড়া পরীক্ষায় তার পক্ষে ভালো করা কঠিন। এতে তার রেজাল্ট খারাপ হতো। হয়ত একটি বছর পিছিয়েও যেত। তাই তারা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু ১২ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত থাকায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা মাস্টার্সের ছাত্র-ছাত্রীরা। ১৬ই মার্চ আমাদের ৫০২ নম্বর কোর্সের পরীক্ষা ছিল। কিন্তু গত ১৪ মার্চ বিকেলে আমাদের এক সহপাঠীর বাবা মারা যায় এবং তার মা স্ট্রোক করে অসুস্থ হয়ে পড়ে। ফলে আমরা সকল শিক্ষার্থী মানবিক দিক বিবেচনা করে পরীক্ষা কমিটির চেয়ারম্যানসহ সকল সদস্যের পরীক্ষাটি স্থগিত করে পরবর্তীতে নেওয়ার অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু বিভাগের ৬৪ জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫২ জন অনুপস্থিত থাকার পরেও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। আমাদের ৫২ জনের কথা বিবেচনা করে ওই পরীক্ষাটি পুনরায় নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

এর আগে সন্ধ্যায় একই দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা তাদেরকে আশ্বস্ত করলে তারা অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত করেন।

বিভাগের সভাপতি মোহা. এনামুল হক বলেন, ‘আমাদের পরীক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান ছুটিতে ঢাকায় আছেন।’ তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে গিয়েছিল। শুনেছি প্রশাসন তাদেরকে আশ্বস্ত করেছে। যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা কমিটি চায় তাহলে আমাদের পুনরায় পরীক্ষা নিতে কোনো আপত্তি নেই।’

ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক লায়লা আরজুমান বানু বলেন, শিক্ষার্থীরা আমার কাছে স্মারকলিপি নিয়ে এসেছিল। কিন্তু স্মারকলিপির কিছু অংশ সংশোধন করে পুনরায় দেওয়ার জন্য বলেছি। তিনি বলেন, ‘বিভাগের গুরুভাগ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে পারেনি। আমি এ বিষয়ে শিগগিরই প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলব।’

মন্তব্য