kalerkantho


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার জেরে আটক ১, শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

৩ জুন, ২০১৮ ০২:২০



পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার জেরে আটক ১, শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে শৃংখলার দায়িত্বে থাকা পুলিশের সাথে বাকবিতণ্ডার জের ধরে এক শিক্ষার্থীকে আটক করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ। পরে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়ক প্রায় দেড় ঘণ্টা অবরোধ করে রাখে শিক্ষার্থীরা। কামরুল ইসলাম নামে ওই শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ম ব্যাচে মনোবিজ্ঞান বিভাগে অধ্যায়নরত রয়েছে। সে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের কর্মী হিসেবেও পরিচিত।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, দুপুর ১১টার দিকে কামরুল মূল ফটকের সামনে রাখা ব্যান্সের ওপর বসতে গেলে পুলিশের কোতয়ালী থানার এস আই সুমন তাকে বসতে নিষেধ করেন। এতেই বাকবিতণ্ডার শুরু হয়। দু’জনের কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে অল্প সময়ের মধ্যে সূত্রাপুর ও কোতয়ালী থানা পুলিশের দু’টি গাড়ি এসে কামরুল এবং তার সঙ্গে থাকা তানভীরকে ঘীরে ফেলে। পরে কামরুলকে আটক করে কোতয়ালী থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় বেদড়ক মারধর করে। 

এ সময় তার হাঁটুর নিচে এবং মুখে আঘাত পায়। পরে তার সহপাঠিরা প্রায় দেড় ঘণ্টা রাস্তা অবরোধ করলে গুলিস্তান-সদরঘাট সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে কামরুলকে ছেড়ে দেয়া হলে অবরোধ তুলে নেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা সন্ধ্যার মধ্যে এস এই সুমনকে প্রত্যাহার করা না হলে আবারও রাস্তা অবরোধের কথা বলেন। দুপুর ২টার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে শৃংখলার দায়িত্বে থাকা পুলিশ ফোর্স সরিয়ে নেয়া হয়।

আটকের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ জয়নুল আবেদিন রাসেল বলেন, একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কিভাবে এভাবে ধরে নিয়ে যায় এবং মারধর করে। পুলিশের এমন কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানাই। আমরা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস ও রমজানে মানুষের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে অবরোধ তুলে নেয়া হয়েছে। ব্যবস্থা নেয়া না হলে আবারও রাস্তা অবরোধ করা হবে। 

মারধরের বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে কোতয়ালী থানার অফিসার্জ ইনচার্জ মশিউর রহমানের সঙ্গে কথা বলতে চাইলেও ব্যস্তাতার জন্য কিছু বলতে পারছেন না। এমনটা এক এস আই। তবে ওই এস আই-এর বরাত দিয়ে দিয়ে জানান, দু’পক্ষের মধ্যেই একটু ভুল বুঝাবুঝির কারণে এমনটা হয়েছে। বিষয়টি বিমাংশা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে কথা বললে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. নূর মোহাম্মদ বলেন, আমরা ডিসিকে বলে দিয়েছি, ওনারা সমাধানের চেষ্টা করছে। এস আই সুমনকে প্রত্যাহার করা হবে কিনা সেটা বলা যাচ্ছে না।



মন্তব্য