kalerkantho

শেয়ারবাজারে দরপতনে বিশ্বে ধনী কমেছে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১১:৪৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শেয়ারবাজারে দরপতনে বিশ্বে ধনী কমেছে

শেয়ারবাজার আর মুদ্রাবাজারের অস্থিরতায় গত বছর বিশ্বে বিলিয়নেয়ার কমেছে ২২৪ জন। এ বছর বিলিয়নেয়ার হয়েছে দুই হাজার ৪৭০ জন। ২০১৮ সালে ছিল দুই হাজার ৬৯৪ জন। ধনী হারানোর তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে চীন ও ভারত।

গত মঙ্গলবার চীনা প্রতিষ্ঠান হুরুন রিপোর্ট বিশ্বের ধনীর তালিকা ২০১৯ প্রকাশ করেছে। এতে যারা কমপক্ষে এক বিলিয়ন ডলার নেট সম্পদের মালিক তাদের নাম উঠে এসেছে। এ বছর বিলিয়নেয়ারদের মোট সম্পদ কমে হয়েছে ৯.৫ ট্রিলিয়ন ডলার। যা বিশ্ব জিডিপির ১২ শতাংশ। তারা গত বছর হারিয়েছে এক ট্রিলিয়ন ডলার সম্পদ। এমনকি আগের বছরের তালিকা থেকে বিলিয়নেয়ার কমেছে ৪৩০ জন।

তবে ভারতের জন্য বড় প্রাপ্তি হচ্ছে বিশ্বের শীর্ষ দশ ধনীর তালিকায় প্রথম ভারতীয় হিসেবে মুকেশ আম্বানির নাম উঠে এসেছে। মুকেশ আম্বানি এবং অনিল আম্বানি বাবার কাছ থেকে একই পরিমাণ সম্পদ পেয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলেন। কিন্তু মুকেশ আম্বানি গত সাত বছরে বাড়তি আয় করেছেন ৩০ বিলিয়ন ডলার। আর অনিল আম্বানি একই সময়ে লোকসান দিয়েছেন পাঁচ বিলিয়ন ডলারের বেশি। তিনি শুধু এ বছরই লোকসান দিয়েছেন ১.৯ বিলিয়ন ডলার। মোট হারালেন সাত বিলিয়ন ডলার।

হুরুন রিপোর্টের চেয়ারম্যান ও প্রধান গবেষক রুপার্ট গুগেওয়ার্ফ বলেন, ‘শেয়ারবাজারে দরপতন এবং ডলারের মূল্য বাড়ায় এ বছর রেকর্ড সংখ্যক ধনী কমেছে।’

‘লুং প্যালেস হুরুন গ্লোবাল রিচ লিস্ট ২০১৯’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়, এ বছর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বের শীর্ষ ধনী হয়েছেন আমাজনের সিইও এবং চেয়ারম্যান জেফ বেজস। তাঁর নেট সম্পদ ২০ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১৪৭ বিলিয়ন ডলার। শীর্ষ দশে থাকা বাকি ধনীদের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন মাইক্রোসফটের চেয়ারম্যান ও সিইও বিল গেটস। গত বছর তাঁর সম্পদ ৭ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৯৬ বিলিয়ন ডলার। তৃতীয় হয়েছেন বার্কশেয়ার হেথাওয়ের চেয়ারম্যান ও সিইও ওয়ারেন বাফেট, তাঁর সম্পদ ১৪ শতাংশ কমে হয়েছে ৮৮ বিলিয়ন ডলার। চতুর্থ শীর্ষ ধনী বার্নড আর্নল্ট, তাঁর সম্পদ ১০ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৮৬ বিলিয়ন ডলার। পঞ্চম স্থানে থাকা মার্ক জাকারবার্গের সম্পদ ১ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৮০ বিলিয়ন ডলার। ষষ্ঠ হয়েছেন কার্লোস স্লিম হেলু, তাঁর সম্পদ ১ শতাংশ কমে হয়েছে ৬৬ বিলিয়ন ডলার। সপ্তম হয়েছেন আর্মেনসিও ওর্তেগা, তাঁর সম্পদ ২৩ শতাংশ কমে হয়েছে ৫৬ বিলিয়ন ডলার। অষ্টম স্থানে রয়েছেন সার্জে ব্রিন, তাঁর সম্পদ ১৭ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৫৪ বিলিয়ন ডলার। নবম স্থানে উঠেছেন ভারতের রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান ও এমডি মুকেশ আম্বানি। তাঁর সম্পদ ২০ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৫৪ বিলিয়ন ডলার। দশম স্থানে রয়েছেন গুগলের ল্যারি পেজ, তাঁর সম্পদ ৬ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৫৩ বিলিয়ন ডলার। বিশ্বের সেরা ১০ ধনীর ছয়জনই আমেরিকার।

মন্তব্য