kalerkantho


মোনেম গ্রুপকে পাথর সরবরাহ করবে বসুন্ধরা গ্রুপ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২১:৫৭



মোনেম গ্রুপকে পাথর সরবরাহ করবে বসুন্ধরা গ্রুপ

ছবি: কালের কণ্ঠ

দেশের নির্মাণখাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান আবদুল মোনেম গ্রুপের বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য পাথর সরবরাহ করবে দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ।

আজ সোমবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে মোনেম লিমিটেডের কার্যালয়ে পাথর সরবরাহের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করে দুই প্রতিষ্ঠান।

এ সময় বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষে গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফওয়ান সোবহান তাসভির এবং মোনেম গ্রুপের পক্ষে আবদুল মোনেম লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর এ এস এম মাঈনুদ্দিন মোনেম চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বসুন্ধরা গ্রুপ দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অন্যদিকে আবদুল মোনেম লিমিটেড বাংলাদেশের নির্মাণখাতে শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান। তাই উন্নতমানের পাথর ব্যবহার করে দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার প্রয়াসে বসুন্ধরা মাল্টি ট্রেডিং লিমিটেড ও আবদুল মোনেম লিমিটেডের সঙ্গে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

এ সময় বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফওয়ান সোবহান তাসভির বলেন, বসুন্ধরা মাল্টি ট্রেডিং লি. সরবরাহকৃত পাথর খুবই উন্নতমানের। ফলে যেকোনো বৃহৎ স্থাপনার দীর্ঘস্থায়ীত্বের প্রশ্নে নির্ভার থাকবে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। আমাদের মধ্যে আজ যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হলো এটি একটি মাইলস্টোন। আমরা খুব খুশি।

আবদুল মোনেম লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর এ এস এম মাঈনুদ্দিন মোনেম বলেন, আজকে আমরা যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছি। আব্দুল মোনেম গ্রুপ যেসব প্রকল্পে কাজ করে সেগুলোতে বসুন্ধরার ফুটপ্রিন্ট থাকবে।

অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা গ্রুপের কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার মির্জা মুজাহিদুল ইসলাম (সেক্টর-সি), চিফ মার্কেটিং অফিসার (সিমেন্ট খাত) খন্দকার কিংশুক হোসেন, হেড অব মার্কেটিং (সেক্টর-সি) মোহাম্মদ তৌফিক হাসান, এজিএম (সেলস) এ কে এম রাশেদ উদ্দিন এবং জিএম (সেলস, সিমেন্ট খাত) ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদুল হাসান।

আর আবদুল মোনেম লিমিটেডের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল মোনেম, পরিচালক ড. ফারহানা মোনেম, প্রকৌশলী আবিদ হাবিব, প্রকৌশলী একেএম আখতারুজ্জামান, প্রকিউরমেন্ট স্পেশালিস্ট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ফারুক আহমেদ চৌধুরী।



মন্তব্য