kalerkantho


বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের ‘নিরাপদ কর্মস্থল’ ক্যাম্পেইন শুরু

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৭ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০৯:৩৮



বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের ‘নিরাপদ কর্মস্থল’ ক্যাম্পেইন শুরু

জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের হেড অব ডিভিশন (মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস) মীর টি আই ফারুক রিজভীসহ অন্য কর্মকর্তারা। ছবি : কালের কণ্ঠ

‘নিরাপদ নিবাস’-এর পাশাপাশি এবার ‘নিরাপদ কর্মস্থল’ শিরোনামে সচেতনতামূলক নিরাপত্তা কর্মশালা কার্যক্রম শুরু করছে বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লিমিটেড। এর আওতায় কর্মস্থলে যারা এলপি গ্যাস ব্যবহার করছে তাদের সচেতন করে তোলা হবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের হেড অব ডিভিশন (মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস) মীর টি আই ফারুক রিজভী, হেড অব ডিভিশন (বিজনেস ডেভেলপমেন্ট) জেড এম আহমেদ প্রিন্স বক্তব্য দেন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিস্ফোরক অধিদপ্তরের প্রধান পরিদর্শক মোহাম্মদ শামসুল আলম। এ কর্মশালা কার্যক্রমে সহযোগী হিসেবে কাজ করবেন জনপ্রিয় মডেল সারিকা সাবরিন এবং মামনুন হাসান ইমন।

অনুষ্ঠানে মীর টি আই ফারুক রিজভী বলেন, “বসুন্ধরা এলপি গ্যাস শুধু ব্যবসাই করছে না, মানুষের নিরাপত্তা নিয়েও চিন্তা করছে। এরই অংশ হিসেবে আগে থেকেই ‘নিরাপদ নিবাস’ নামের ক্যাম্পেইনটি সারা দেশে করে আসছে। এবার এর সঙ্গে যুক্ত হলো ‘নিরাপদ কর্মস্থল।’ আগামী ১২ ডিসেম্বর ফেনীতে এ নিরাপত্তা কর্মশালা শুরু হবে।”

তিনি বলেন, ‘গত পাঁচ বছরে দেশে এলপি গ্যাস ব্যবহারে ৬০ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি হয়েছে। যেখানে রিফিল ব্যবহার বেড়েছে প্রায় ১৩ গুণ পর্যন্ত। বছরে এখন ৬৫ লাখ রিফিল ব্যবহার হচ্ছে। এলপি গ্যাসের ব্যবহারকারী দ্রুত বেড়ে যাওয়ার কারণে বসুন্ধরা শুধু ব্যবসাই করছে না গ্রাহকের কথাও চিন্তা করছে। এরই অংশ হিসেবে সারা দেশে এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার কিভাবে নিরাপদে ব্যবহার করা যায়, তা নিয়ে মানুষকে সচেতন করার কাজ করছে।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ শামসুল আলম বলেন, ‘সরকার ব্যবসায়ীদের কথা যেমন বিবেচনায় রাখে, তেমনি গ্রাহকের কথাও ভাবে। ন্যাচারাল গ্যাস কমে আসার কারণে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এলপিজিতে।’ সাম্প্রতিক সময়ের সিলিন্ডার থেকে ঘটে যাওয়া বেশ কিছু দুর্ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ের যে দুর্ঘটনাগুলো ঘটেছে সেগুলোর একটিতেও গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেনি। দুর্ঘটনার পর আমরা পরিদর্শনে দেখেছি সিলিন্ডারগুলো অক্ষত অবস্থায় রয়েছে। বিভিন্নভাবে লিকেজের কারণে ঘরের মধ্যে গ্যাস জমে যাওয়ার পর সেখানে আগুন জ্বালানো হয়েছে। ফলে ঘরের মধ্যে বিস্ফোরণ হয়েছে। এর থেকে বেরিয়ে আসতে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য বসুন্ধরাসহ অন্য ব্যবসায়ীদের এ বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম বেশি করে পরিচালনার অনুরোধ জানাচ্ছি। সরকারও ভোক্তাদের সচেতনতার বিষয়ে কাজ শুরু করেছে।’



মন্তব্য