kalerkantho


বিআইডিএসের গবেষণা সম্মেলন

জিডিপি অনুপাতে কর্মসংস্থান বাড়ছে না

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১২ নভেম্বর, ২০১৮ ১৩:১৬



জিডিপি অনুপাতে কর্মসংস্থান বাড়ছে না

ফাইল ফটো

দেশের মোট দেশজ উত্পাদন (জিডিপি) বাড়লেও সেই তুলনায় কর্মসংস্থান হচ্ছে না। বলা চলে কর্মসংস্থান এক স্থানে স্থির হয়ে আছে। ফলে জিডিপি দেশের দারিদ্র্য নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। এর কারণ হচ্ছে ব্যাপক আয়বৈষম্য, ধনীদের আয় বেড়েছে আর দরিদ্রদের আয় কমেছে। এর জন্য দায়ী করা হয় পর্যাপ্ত সম্পদের অভাব, যতটুকু সম্পদ আছে সেখান থেকে কম প্রাপ্তি, গরিবদের ব্যাংক ব্যবস্থায় কম অন্তর্ভুক্তি এবং নীতি সহায়তা ধনীদের পক্ষে থাকা।

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) দুই দিনের গবেষণা সম্মেলনের প্রথম দিনে ‘কোয়ালিটি গ্রোথ ইন বাংলাদেশ : সাম নিউ ইভিডেন্স’ শীর্ষক এক গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনটি  তৈরি করেছেন ড. কাজী ইকবাল এবং নাহিদ ফেরদৌস পাবন। গতকাল রবিবার সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে পার্শ্ববর্তী অন্যান্য দেশের তুলনায় কর্মসংস্থান বৃদ্ধির হার কম। এ ছাড়া কর্মস্থানের হার যেটি আছে সেটি ধরে রাখতে হলে প্রতিবছর ১১ লাখ লোকের চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে। জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে উল্লেখ করে বলা হয়, ১৯৮১-৯০ সাল পর্যন্ত ছিল ৩.৭ শতাংশ। সেটি বেড়ে  ১৯৯১-২০০০ সালের মধ্যে হয়েছে  ৪.৮ শতাংশ,  ২০০১ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫.৮ শতাংশ এবং  ২০১১  সাল থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে প্রবৃদ্ধি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৫৫ শতাংশ।  

ধনীর আয় বেড়েছে উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ ধনীর আয় ২০০৫ সালে ছিল ৩৭.৬ শতাংশ। ২০১০ সালে এসে সেটি কিছুটা কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫.৮৫ শতাংশে। কিন্তু ২০১৬ সালে এসে আবারও বেড়ে গিয়ে দাঁড়ায় ৩৮ শতাংশে। অন্যদিকে সর্বনিম্ন আয়ের ১০ শতাংশ মানুষের  আয় ২০০৫ সালে ছিল ২ শতাংশ। সেটি ২০১০ সালেও একই ছিল। কিন্তু ২০১৬ সালে এসে সেটি কমে দাঁড়িয়েছে ১ শতাংশে।



মন্তব্য