kalerkantho


মোটরসাইকেলসহ ৯ পণ্য রপ্তানিতে ১০% ভর্তুকি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১২:৫৯



মোটরসাইকেলসহ ৯ পণ্য রপ্তানিতে ১০% ভর্তুকি

দেশের রপ্তানি খাতকে চাঙ্গা করতে এবং বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা অর্জনে সহায়তা করতে নতুন করে আরো ৯ ধরনের পণ্য রপ্তানিতে ১০ শতাংশ ভর্তুকি বা নগদ সহায়তা দেবে সরকার। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানির বিপরীতে এই সুবিধা দেওয়া হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ গতকাল সোমবার এসংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, গতকাল সোমবার থেকেই নতুন ৯ ধরনের পণ্য রপ্তানির বিপরীতে নগদ সহায়তা কার্যকর হয়েছে। এগুলো হলো মোটরসাইকেল, ফার্মাসিউটিক্যালস পণ্য, ফটোভোলটাইক মডিউল, কেমিক্যাল পণ্য (ক্লোরিন, হাইড্রোক্লোরিক এসিড, কস্টিক সোডা এবং হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড), রেজার ও রেজার ব্লেডস, সিরামিক দ্রব্য, টুপি, কাঁকড়া ও কুঁচে (হিমায়িত ও সফটসেল, পরিবেশ ও বন বিভাগের ছাড়পত্র গ্রহণ সাপেক্ষে) এবং গলিত শিট।

প্রসঙ্গত, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৩৬ ধরনের পণ্য রপ্তানির বিপরীতে নগদ সহায়তা পেয়েছেন রপ্তানিকারকরা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরেও এসব পণ্য রপ্তানি মূল্যের বিপরীতে সর্বনিম্ন ২ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ অর্থ ভর্তুকি বা নগদ সহায়তা দেওয়া হবে।

এর মধ্যে রয়েছে সিনথেটিক ও ফ্যাব্রিকসের মিশ্রণে তৈরি পাদুকা, তথ্য-প্রযুক্তি, সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার, অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যালসে ইনগ্রিডিয়েন্টস (এপিআই), অ্যাকুমুলেটের ব্যাটারি ও নারিকেল ছোবড়ার আঁশ দ্বারা উত্পাদিত পণ্য।

এ ছাড়া দেশীয় বস্ত্র খাতে শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের পরিবর্তে বিকল্প নগদ সহায়তা ৪ শতাংশ, বস্ত্র খাতের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অতিরিক্ত সুবিধা ৪ শতাংশ, নতুন পণ্য বা বাজার সম্প্রসারণ সহায়তা (যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ইইউ ছাড়া) ৪ শতাংশ, ইউরো অঞ্চলে বস্ত্র খাতে রপ্তানিকারকদের জন্য বিদ্যমান ৪ শতাংশের অতিরিক্ত বিশেষ সহায়তা ২ শতাংশ, হোগলা, খড়, আখের ছোবড়া ইত্যাদি দিয়ে উত্পাদিত হস্তশিল্প রপ্তানিতে নগদ সহায়তা ২০ শতাংশ, কৃষিপণ্য ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যে ২০ শতাংশ, গরু-মহিষের নাড়ি, ভুঁড়ি, শিং ও রগ (হাড় ছাড়া) রপ্তানিতে ১০ শতাংশ, হালকা প্রকৌশল পণ্য রপ্তানিতে ১৫ শতাংশ, শতভাগ হালাল মাংস রপ্তানিতে ২০ শতাংশ, বরফ আচ্ছাদনের হারভেদে হিমায়িত চিংড়ি ও অন্যান্য মাছ রপ্তানিতে ১০ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়া হবে।

চামড়াজাত পণ্য ও আসবাব রপ্তানিতে ১৫ শতাংশ, জাহাজ, প্লাস্টিক পণ্য ও পেট বোতল-ফ্ল্যাক্স রপ্তানিতে ১০ শতাংশ, শস্য ও শাকসবজির বীজ এবং পাটকাঠি থেকে উত্পাদিত কার্বন রপ্তানিতে ২০ শতাংশ, পাটজাত দ্রব্যাদি রপ্তানিতে ২০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ সহায়তা পাওয়া যাবে।

এ ছাড়া চলতি অর্থবছরে আলু রপ্তানিতে ২০ শতাংশ, সাভারে চামড়া শিল্প নগরীতে স্থানান্তরিত শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে ক্রাস্ট ও ফিনিশড লেদার রপ্তানিতে ১০ শতাংশ এবং পাটজাত চূড়ান্ত দ্রব্য রপ্তানিতে ১০ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে দেশে উত্পাদিত কাগজ ও কাগজ জাতীয় দ্রব্য রপ্তানিতে ১০ শতাংশ এবং আগর ও আতর রপ্তানিতে ২০ শতাংশ রপ্তানি ভর্তুকির বিষয়টি অপরিবর্তিত আছে। 



মন্তব্য