kalerkantho


'কৌঁশলগত কারণে আটকে আছে মোড়কজাত পণ্যে রপ্তানিতে প্রণোদনা'

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৭ জানুয়ারি, ২০১৮ ২৩:৩১



'কৌঁশলগত কারণে আটকে আছে মোড়কজাত পণ্যে রপ্তানিতে প্রণোদনা'

তৈরি পোশাক খাতের সংযোগ শিল্প মোড়কজাত ও এক্সেসরিজ খাতে নগদ প্রণোদনা দেয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত থাকলেও কৌঁশলগত কারণে তা দেয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। তবে অপ্রচলিত পন্যে প্রনোদনা দিতে সরকারের কোনো বাধা নেই।

গতকাল শনিবার রাজধানীর কুড়িল বিশ্ব রোড ৩০০ ফিট সড়ক সংলগ্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র বসুন্ধরা (আইসিসিবি)তে চার দিনব্যাপী মোড়ক জাত পণ্যের প্রদর্শনীর সমাপনী ও রপ্তানি ট্রফি বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস এক্সেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার অ্যান্ড এক্সপোটার অ্যাসোশিয়েশন (বিজিএমপিএমইএ) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. মোশারফ হোসেন ভূঁইয়া, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি মো. শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সপ্তম পঞ্চম বার্ষিকী পরিকল্পনায় দেশের রপ্তানি আয় বাড়াতে নতুন নতুন পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। এতে অপ্রচলিত পন্য রপ্তানিতে প্রনোদনা দেয়ার সরকারের লক্ষ্য রয়েছে। তাই মোড়কজাত পণ্যে প্রয়োজনীয় নীতি সহয়তা দেবে সরকার।

২০২১ সালে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উন্নতি হবে উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী তিন বছর  দেশে প্রচুর বড় বড় প্রকল্পের কাজ হবে। এ জন্য চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে সব শিল্প কারখানায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। আর ২০২১ সালে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে প্রায় ৪০ হাজার মেগাওয়াট।

মো. মোশারফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, দেশে আজ উন্নয়নের যে মহাসড়কে চলছে এতে প্যাকেজিং খাতেরও বড় অবদান রয়েছে। এ খাত থেকে প্রায় ৭০০ কোটি ডলার রপ্তানি আয় হয়। আর ২০২১ সালে তৈরি পোশাক খাত থেকে যে ৫ হাজার কোটি ডলালের রপ্তানি আয়ের রূপকল্প ধরা হয়েছে, এ সময় মোড়ক ও একসেসরিজ খাতে রপ্তানি আয় দাঁড়াবে ১২০০ কোটি ডলার।

বিজিএপিএমইএ প্রথমবারের মতো গার্মেন্টস এক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং খাতের রপ্তানিকারদের উৎসাহিত করতে ৪ ক্যাটাগরিতে ১২টি রপ্তানি ট্রফি দেয় অনুষ্ঠানে। ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত রপ্তানির হিসাব অনুযায়ী ক্ষুদ্র, মাঝারি, বৃহৎ ও সরাসরি রপ্তানি) এ ট্রফি দেয়া হয়েছে। এ ছাড়াও বিশেষ পুরস্কার হিসেবে একজন নারী উদ্যোক্তাকে এ পুরস্কার ও সনদ দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে শফিউল ইসলাম মহিউদ্দন বলেন, পোশাক খাতের এই সংযোগ শিল্পের দেশের রপ্তানি আয়ে বিশাল ভূমিকা রয়েছে। এর ফলে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে আয় বাড়ার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হয়েছে একই সঙ্গে রপ্তানিতে লিড টাইম (পণ্য জাহাজী করণে) কম সময় লাগছে।

বিজিএমপিএমইএ সভাপতি মো. আব্দুর কাদের খানের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে ছিলেন ছিলেন মনির উদ্দিন আহমেদ, উপদেষ্টা রাফেজ আলম চৌধুরী, শাহাজাদা মাহামুদ চৌধুরী প্রমুখ।


মন্তব্য