kalerkantho


মিরসরাই অর্থনৈতিক জোনে একটি চামড়া পল্লী গড়ে তোলা হবে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৭ জুলাই, ২০১৭ ২০:৪৭



মিরসরাই অর্থনৈতিক জোনে একটি চামড়া পল্লী গড়ে তোলা হবে

এ অঞ্চলে চামড়া শিল্পের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে মিরসরাই অর্থনৈতিক জোনে একটি চামড়া পল্লী গড়ে তোলা হবে। চামড়া পল্লী প্রতিষ্ঠার সম্ভাব্যতা যাচাই কাজ খুব শিগগির শুরু হবে। বাংলাদেশ ইকনোমিক জোন অথরিটি (বেজা) মিরসরাই ইকনোমিক জোনে গড়ে তুলবে। মিরসরাই ইনকর্পোরেটিং পার্কে প্রায় ৩০ হাজার একর জমির ওপর এটি গড়ে তোলা হবে।  

বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী সম্প্রতি এখানে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বলেন, সরকার দেশী-বিদেশী বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য পরিকল্পিতভাবে মিরসরাই ইকনোমিক জোন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে। মিরসরই ইজেডে একটি চামড়া পল্লী প্রতিষ্ঠায় বেজার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ট্যানারী ব্যবসায়িরা বলেছেন, চট্টগ্রামে চামড়া পল্লী প্রতিষ্ঠায় নতুন ব্যবসা বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে।  

চট্টগ্রাম কাঁচা চামড়া ওয়ারহাউজ ট্রেডার্স কো-অপারেটিভ এসোসিয়েশনের সভাপতি সেকেন্দার মিয়া বলেছেন, চামড়া শিল্প প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ি গোষ্ঠির দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে।  

চট্টগ্রামে বর্তমানে প্রায় ২০০ কাঁচা চামড়া ওয়ারহাউজ রয়েছে এবং এই ব্যবসার সাথে ২০ থেকে ২৫ হাজার ব্যবসায়ি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। দেশে মোট রওহিডের ৩৫ ভাগই সরবরাহ হয় এখান থেকে।  

পবন চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রামে প্রায় ৩শ’ থেকে ৫শ’ একর জমির ওপর একটি চামড়া শিল্প প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছি। এই চামড়া পল্লীতে বিনিয়োগ করতে অনেক বিনিয়োগকারি এগিয়ে আসবেন। এতে প্রায় ০.২ মিলিয়ন তরুণের কর্মসংস্থান হবে। ১৯৭১ সালে চট্টগ্রামে মোট ১৮টি ট্যানারী ছিল। দেশ স্বাধীন হবার পর ট্যানারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ২১ টি হয়। বেজার তথ্য অনুযায়ী অনেক প্রসিদ্ধ ব্যবসায়ী ইতোমধ্যেই প্লটের জন্য আবেদন করেছে। পবন বলেন, চীন, হংকং ও তাইওয়ানের বিনিয়োগকারীরা এখানে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।  

সূত্র জানায়, চট্টগ্রামে মোট ৪৪ টি চামড়া শিল্প ছিল। গত চার দশকে এর অধিকাংমই ধ্বংস হয়ে গেছে। প্রতি বছর চট্টগ্রামে প্রায় ২০০ কোটি টাকা মল্যের কাঁচা চামড়া সংগ্রহ হয়।  


মন্তব্য