kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


'তুরস্ক বাংলাদেশের সাথে অবাধ বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরে আগ্রহী'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৭:৫৬



'তুরস্ক বাংলাদেশের সাথে অবাধ বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরে আগ্রহী'

তুরস্ক বাংলাদেশের সাথে অবাধ বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সাক্ষরে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
তিনি আজ সচিবালয়ের বানিজ্য মন্ত্রণালয়ের অফিস কক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত ডেভ্রিম অর্জটুর্কের সাথে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ কথা জানান।


তোফায়েল আহমেদ বলেন, তুরস্ক বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়ীক অংশিদার। তুরষ্কের সাথে বাংলাদেশের ফ্রি ট্রেড এগ্রিরেমন্ট (এফটিএ) হলে রপ্তানি বাড়বে। দু‘দেশের মধ্যে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে।
তিনি বলেন, তুরষ্কের বাজারে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে রুলস অফ অরিজিনের শর্ত শিথিল করা হলে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়বে। কিছু দিনের মধ্যে দু’দেশের মধ্যে জয়েন্ট ইকোনমিক কমিশনের সভা অনুষ্ঠিত হবে। এবিষয়ে তুরষ্ক ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেছে।  
তোফায়েল আহমেদ বলেন, স্বাধীনতা বিরোধী চক্র দেশের মানুষের জান-মালের ব্যাপক ক্ষতি করে মানবতা বিরোধি অপরাধ করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার মানবতা বিরোধি অপরাধীদের নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছতার সাথে বিচার কাজ চলছে এবং চলবে।
তিনি বলেন, গত জুলাই মাসে তুরষ্কেও ব্যর্থ সামরিক অভ্যূত্থান হয়েছিল। অভ্যূত্থানের সাথে জড়িত অপরাধীরা এখন কারাগারে। সেখানেও নীতি পরিবর্তন করে বিচারের প্রক্রিয়া চলছে। তুরষ্ক এবং বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অটুট থাকবে। আগামী দিনগুলোতে এ সম্পর্ক আরো জোড়দার হবে।
তুরষ্কের রাষ্ট্রদূত সাংবাদিকদের বলেন, তুরষ্ক এবং বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। এ সম্পর্ক অটুট আছে এবং থকবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তুরষ্ক বাংলাদেশের পাশে থাকবে। দু‘দেশের বাণিজ্য বৃদ্ধির বিষয়ে তুরষ্ক সরকার আন্তরিক।  
তিনি বলেন, তুরষ্কের সাথে বাংলাদেশের এফটিএ স্বাক্ষর এবং রুলস অফ অরিজিনের শর্ত শিথিলের বিষয়গুলো তুরষ্ক গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবে। আগামী কিছু দিনের মধ্যে দু‘দেশের জয়েন্ট ইকনোমিক কমিশনের সভা অনুষ্ঠিত হবে সেখানে বিষয় গুলো চুড়ান্ত করা হবে।  
তিনি আরো বলেন, তুরষ্কের সাথে পৃথিবীর প্রায় ১৮টি দেশের এফটিএ আছে, সেখানে বাংলাদেশের সাথে এফটিএ না করার কোন কারণ নেই।
এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন, অতিরিক্ত সচিব(এফটিএ) মনোজ কুমার রায়, অতিরিক্ত সচিব(আইআইটি) মুন্সী সফিউল হকসহ মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য জ্যৈষ্ঠ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।


মন্তব্য