kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


'বাংলাদেশে বর্তমানে বিদেশি বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৮:১৩



'বাংলাদেশে বর্তমানে বিদেশি বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে'

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, বেসরকারি খাতনির্ভর বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বর্তমানে বিদেশি বিনিয়োগ ও ব্যবসার অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে ।  
তিনি আজ ভারতের মুম্বাইয়ে কেমিক্যাল ও পেট্রোকেমিক্যাল বিষয়ক ‘নবম ইন্ডিয়া ক্যাম-২০১৬’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ও সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করছিলেন।

 
মুম্বাইয়ের বোম্বে এক্সিবিশন সেন্টারে তিন দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ভারতের কেমিক্যাল ও ফার্টিলাইজার বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কেমিক্যাল ও পেট্রোকেমিক্যাল বিভাগ এবং ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই) যৌথভাবে এর আয়োজন করে।  
আমির হোসেন আমু বলেন, ‘স্বল্প মজুরিতে দক্ষ শ্রমিক, পেশাজীবী ও প্রযুক্তিবিদের সহজ প্রাপ্যতা বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগে চমৎকার ক্ষেত্র তৈরি করেছে। বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার মাঝেও টিকে থাকার সক্ষমতা এবং সংকট মোকাবেলায় পারদর্শীতার ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে টেকসই প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় রয়েছে। ’ 
এফআইসিসিআই’র জাতীয় রাসায়নিক কমিটির চেয়ারম্যান দীপক সি মেহতার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ভারতের কেমিক্যাল ও ফার্টিলাইজার মন্ত্রী অনন্ত কুমার, রসায়ন, সার, সড়ক যোগাযোগ ও নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী মানসুখ এল. মানদাভিয়া, উড়িষ্যা প্রদেশের শিল্পমন্ত্রী দেবী প্রসাদ মিশ্র, ভারতের কেমিক্যাল ও পেট্রো-কেমিক্যাল বিভাগের সচিব অনুজ কুমার বিষ্ণু বক্তব্য রাখেন।  
শিল্পমন্ত্রী বলেন, ঐতিহাসিকভাবেই ভারতের সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। এ স¤পর্কের ভিত্তি জোরদারে বাংলাদেশ সব সময় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সূচিত সুসম্পর্কের এ ধারা বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে আরো জোরদার হয়েছে।  
তিনি বলেন, স্থল সীমানা চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দু’দেশের সম্পর্কের ভিত্তি ভিন্নতর উচচতায় পৌঁছেছে।
আমির হোসেন আমু বলেন, গত সাত বছরে নিরাপত্তা, কানেকটিভিটি, জ্বালানি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উন্নয়ন সহায়তা এবং জনগণের আন্তঃযোগাযোগ বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে।  
তিনি কৃষিখাতের আধুনিকায়ণ ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারস্পরিক কৃষি প্রযুক্তির স্থানান্তর ও অভিজ্ঞতার বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেন। এর মাধ্যমে দুদেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।  
শিল্পমন্ত্রী বাংলাদেশকে ভারতের পঞ্চম কেমিক্যাল ও পেট্রো-কেমিক্যাল পণ্য আমদানিকারক দেশ হিসেবে উল্লেখ করেন।  
তিনি বলেন, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়াতে ভারতীয় উদ্যোক্তারা বাংলাদেশে যৌথ বিনিয়োগে রসায়ন শিল্প কারখানা গড়ে তুলতে পারে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার দেশীয় উদ্যোক্তাদের মত ভারতসহ অন্য বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সমান সুযোগ নিশ্চিত করবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার গৃহিত ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির ফলে ভারতীয় উদ্যোক্তারা সহজেই বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।


মন্তব্য