kalerkantho


ডাল ও পাম অয়েলের দাম বাড়লেও কমেছে পেঁয়াজের দাম

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ মার্চ, ২০১৬ ১৫:৩৪



ডাল ও পাম অয়েলের দাম বাড়লেও কমেছে পেঁয়াজের দাম

দু-চার দিন আগেও রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতিকেজি দেশি মসুর ডাল বিক্রি হতো ১২০ থেকে ১৩০ টাকায়। শুক্রবার তা বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ থেকে ১৪৫ টাকায়।

কয়েক দিনের ব্যবধানে ডালের দাম প্রতিকেজিতে বেড়েছে ১৫ টাকা। শুধু দেশি ডাল নয় আমদানি করা ডালের দামও বেড়েছে। ডালের পাশাপাশি এবার পাম ওয়েলের দামও সামান্য বেড়েছে।

শুক্রবার খুচরা বাজারে তুরস্ক ও কানাডা থেকে আমদানি করা বড় দানার প্রতিকেজি ডাল ৯৫ টাকা থেকে ১০০ টাকায়, মাঝারি দানা ১০০ টাকা থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। যা আগের শুক্রবার বাজারে বিক্রি হয়েছে বড় দানা ৯০ টাকা থেকে ৯৫ টাকা এবং ছোট দানা ৯৫ টাকা থেকে ১০০ টাকায়। অর্থাত সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিকেজি আমদানি করা ডালে বেড়েছে ৫ টাকা।

ডাল ছাড়াও বাজারে লুজ পাম অয়েলের দাম প্রতি লিটারে বেড়েছে ৩ টাকা থেকে ৫ টাকা। শুক্রবার প্রতি লিটার ৫৮ টাকা থেকে ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ৫৫ টাকা থেকে ৬০ টাকায়।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারি বাজার থেকে বেশি দামে ডাল কিনতে হচ্ছে বলে খুচরা বাজারে দাম বেড়েছে। তবে পাইকারি ব্যবসায়ীরা ডাল বাড়ার প্রকৃত কারণ তুলে ধরতে পারেনি।

ডালের দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে বাংলাদেশ ডাল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম দাম বাড়ার বিষয়ে কোনো ধরনের মন্তব্য করতে রাজি হননি।

বাজারে পেঁয়াজের দাম আগে সপ্তাহের চেয়ে সামান্য কমেছে। খুচরা বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা থেকে ৪০ টাকায়। যা আগের সপ্তাহে ছিল ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকায়। যা আগের সপ্তাহে বিক্রি হতো ২৫ থেকে ৩০ টাকায়। পেঁয়াজের দাম কেজিতে সর্বনিম্ন ৫ টাকা কমেছে।

বাজারে নতুন রসুন ওঠা শুরু হওয়ার পর থেকে আমদানি করা রসুনের দাম স্থির রয়েছে। খুচরা বাজারে আমদানি করা প্রতিকেজি রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকা থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৬০ থেকে ৮০ টাকায়। যা আগের সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়।


মন্তব্য