kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বিনিয়োগের নামে মুদ্রা পাচারে খেয়াল রাখতে হবে : আতিউর

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৬ মার্চ, ২০১৬ ২২:১২



বিনিয়োগের নামে মুদ্রা পাচারে খেয়াল রাখতে হবে : আতিউর

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, বিনিয়োগের নামে কেউ যেন মুদ্রা পাচার না করতে পারে সে বিষয়ে ব্যাংকগুলোকে খেয়াল রাখতে হবে।
তিনি বলেন, অনেক শিল্পপতি এখন ব্যাংকের মালিক।

তারা নামে বেনামে অবৈধ পন্থায় ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ব্যাংকগুলোকে বিপদে ফেলে।
তিনি আরো বলেন, অন্য দেশে এভাবে শিল্পপতিরা ব্যাংক মালিক হতে পারে না। ভারতে রিলায়েন্স গ্রুপও ব্যাংক মালিক হতে পারেনি।
তিনি আজ দুপুরে হবিগঞ্জের দ্যা প্যালেস লাক্সারি রিসোর্টের ব্যাঙ্কুয়েট হলে দেশের ৫৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ পরিপালন কর্মকর্তাদের তিন দিনব্যাপী সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মো. রাজী হাসান, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এবং বিএফআইইউ ডেপুটি হেড নওশাদ আলী চৌধুরী এবং বিএফআইইউ এর অপারেশনাল হেড দেবপ্রসাদ দেবনাথ।
ড. আতিউর রহমান বলেন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় একটি দেশের মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থা একটি গুরুত্বপূর্ণ মানদন্ড হিসেবে কাজ করে। মানিলন্ডারিং কিংবা অবৈধ পথ ব্যবহার করে দেশ থেকে অর্থপাচার আর্থিক খাতের সবচেয়ে বড় অপরাধ, যা দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করে। এর ফলে মানুষ তার সম্পদের অধিকার হতে বঞ্চিত হয়।
তিনি বলেন, সারাবিশ্বেই ডিজিটাল লেনদেনের পরিমাণ বাড়ছে। প্রযুক্তির ফাঁক-ফোকর দিয়েও সাইবার অপরাধী চক্র টাকা পাচারে সক্রিয় রয়েছে। বাংলাদেশও এই সাইবার আক্রমণের বাইরে নেই। তাই পুরো আর্থিক খাতকে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় আরো সক্রিয় ও সক্ষম হতে হবে। আরো সুদৃঢ় প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা দেয়াল গড়ে তুলতে হবে।
তিনি আরো বলেন, অর্থপাচার রোধে ব্যাংকগুলোর রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। বৈশ্বিক অর্থনীতি যে গতিতে প্রসারিত হচ্ছে, তার চেয়ে বেশি গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের আর্থিক অপরাধ এবং অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের মাত্রা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট এ সম্মেলনের আয়োজন করে। সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে ‘অর্থপাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন দেশের বিকাশমান টেকসই অর্থনীতি ও ন্যায় ভিত্তিক বৈষম্যহীন স্থিতিশীল সমাজ গঠনের অন্তরায় এবং স্বাধীনতার মূল চেতনার পরিপন্থী। এতে ১৫০ জন উর্ধতন ব্যাংক কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।


মন্তব্য