kalerkantho


ভালুকায় ভরাট খাল উদ্ধার, পুনঃখনন শুরু

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



ভালুকার হবিরবাড়ীতে বেদখল ও ভরাট হওয়া খাল উদ্ধার করে ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে পুনঃখনন করা হচ্ছে। ফলে ওই এলাকার কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হবিরবাড়ী ইউনিয়নের পাড়াগাঁও গ্রামের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত লাউতি খাল। একসময় এ এলাকার জমির পানি লাউতি খাল দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভালুকার খীরু নদীতে পড়ত। প্রায় ২০ ফুট প্রস্থের এ খালটি গত ২০ বছর ধরে ভরাট অবস্থায় জবরদখল হয়ে প্রায় নিশ্চিহ্ন ছিল। এটি ভরাট ও বেদখল হওয়ায় অতিবৃষ্টিতে প্রায় প্রতি বছর হবিরবাড়ী এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে নিচু জমির ধান নষ্ট হতো।

সম্প্রতি ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের নির্দেশে হবিরবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ ভরাট হওয়া খালটি উদ্ধার করে ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে খননের উদ্যোগ নেন। গত ১৫ জানুয়ারি মাপজোক করে খালটির প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার উদ্ধারের পর সীমানা নির্ধারণ করে লাল পতাকা টানিয়ে দেওয়া হয়। ইউপি চেয়ারম্যানের ওই কাজে সহায়তা করেন উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার মো. সেলিম। পরে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এ কে এম গালীব খান গত রবিবার বিকেলে খালটি পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন। ওই সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ কামাল, সহকারী কমিশনার (ভূমি) দীপায়ন দাস শুভ, হবিরবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান তোফায়েল আহাম্মেদ বাচ্চু, ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মনির হোসেন, ইউপি সদস্য বুলবুল আহাম্মেদসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

হবিরবাড়ী গ্রামে কৃষক আহাদ আলী জানান, খালটি ভরাট ও বেদখল হওয়ায় তাঁদের অনেক সমস্যায় পড়তে হয়েছে। খালটি দিয়ে পানি নিষ্কাশিত হতে না পারায় এলাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতো। তা ছাড়া পানির অভাবে তাঁরা সময়মতো ক্ষেতে সেচ দিতে পারতেন না। এখন খালটি খনন হলে তাঁদের ওই সমস্যাগুলো দূর হবে বলে মনে করেন তিনি। একই কথা ওই এলাকার কৃষক আবুল হাসেম, কলিম উদ্দিনসহ অনেকের।



মন্তব্য