kalerkantho


আলোচনার শীর্ষে মোস্তফা কামালের 'অগ্নিকন্যা'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৫:১৪



আলোচনার শীর্ষে মোস্তফা কামালের 'অগ্নিকন্যা'

এবারের বইমেলায় লেখক মোস্তফা কামালের 'অগ্নিকন্যা' রয়েছে আলোচনার শীর্ষে।   বইটি মেলায় শীর্ষ বিক্রিত বইগুলোর তালিকায় প্রথম সারিতে রয়েছে।

প্রকাশকসূত্র এমনটাই জানিয়েছে। বইটি প্রকাশ করেছে পার্ল পাবলিকেশন্স।

মেলায় আসার আগেই 'অগ্নিকন্যা' আলোচনায় আসে। মেলার শুরু থেকেই বইটির চাহিদা বেড়ে যায়। প্রকাশকসূত্রে জানা যায়, 'অগ্নিকন্যা' বইটি কয়েকটি শ্রেণির মধ্যে আলোড়ন তৈরি করেছে। ইতিহাসভিত্তিক দীর্ঘ রচনা, একই সাথে ঐতিহাসিক পটভূমির প্রেক্ষাপটে লেখা উপন্যাস অগ্নিকন্যা, এই আগ্রহের ফলে বইটির কাটতি বেশ ভালো।

এমরান কবির বইটির সমালোচনা লিখতে গিয়ে বলেছেন, লেখক মোস্তফা কামাল সেই জটিল পথের পথিক হলেন। তার উপন্যাস অগ্নিকন্যার সময় আমাদের স্বাধীনতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়ের, তার চরিত্রগুলো আমাদের সবচেয়ে উজ্জ্বল রাজনৈতিক সৃজনশীলজন। যাদের আত্মত্যাগের ওপর দাঁড়িয়ে আজ আমরা ভোগ করছি স্বাধীনতার সুখ।

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, সুশীল সমাজ সব মহলেই সমানভাবে সমাদৃত হচ্ছে অগ্নিকন্যা উপন্যাসটি। রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক তুহিন ওয়াদুদ বইটি সম্পর্কে সমালোচনা করতে গিয়ে লিখেছেন, '১৯৬৬ সাল পর্যন্ত পশ্চিম পাকিস্তানিদের কূটকৌশল আর ষড়যন্ত্রের প্রতিকূলে পূর্ব বাংলা তথা আজকের বাংলার অধিকারকামীদের ইতিহাস এ উপন্যাসে সরল বর্ণনায় সুখপাঠ্য হয়ে উঠেছে। '

লেখক মোস্তফা কামাল বলেন, আমি জানি, ঝরঝরে গতিশীল ভাষা ছাড়া এ ধরনের উপন্যাস পাঠকপ্রিয়তা পায় না। পাঠককে ভেতরে ঢোকানো যায় না। আবার ঐতিহাসিক ঘটনা ও চরিত্রগুলো তুলে ধরতে মনগড়া কোনো তথ্যও দেওয়া যাবে না। ফলে কাজটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ; একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণও। এর পরও অদম্য সাহস আর ইচ্ছাশক্তির বলে প্রস্তুতি চলছিল। এরই অংশ হিসেবে বারবার নিজেকে ভাঙি, আবার গড়ি। এভাবে চলতে থাকে অনেক বছর। এ সময়কালে সাহিত্যের নানা অঙ্গনে বিচরণ করেছি। এর বাইরে আর কিছুই ভাবতে পারিনি।

প্রকাশকের মতে সুখপাঠ্য লেখা সাধারণ পাঠকের নিকট দ্রুত গ্রহণযোগ্যতা পায়। সে হিসেবে সাধারণ পাঠকরাও 'অগ্নিকন্যা'র প্রতি আগ্রহী হয়েছেন। বইটি এবারের বইমেলায় যেমন আলোড়ন তুলেছে তা সত্যি ইতিবাচক বলে মনে করছেন লেখক।  


মন্তব্য