kalerkantho


দ্বিতীয় দিনে সরগরম ছিল বইমেলা, লেখক পাঠকের ভীড়

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



দ্বিতীয় দিনে সরগরম ছিল বইমেলা, লেখক পাঠকের ভীড়

মেলায় আসা তরুণ পাঠকদের অনেকেই বললেন সায়েন্স ফিকশনের প্রতি আগ্রহের কথা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সাব্বির আহমেদ রাসেল বলেন, আমি জাফর ইকবালসহ বাংলাদেশের বেশকয়েকজন লেখকের সায়েন্স ফিকশন পড়ে ফেলেছি। এবার আইজ্যাক আজিমভ, আর্থার সি ক্লার্কদের সায়েন্স ফিকশনগুলো পড়ে দেখার পালা। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের রোবোটিকস অ্যান্ড মেকাট্রনিক্স বিভাগের ছাত্র আব্দুল্লাহ আল মামুনেরও আগ্রহ সায়েন্স ফিকশনে। পাশাপাশি তিনি কিনেছেন থ্রিলারধর্মী উপন্যাস। সায়েন্স ফিকশনের পাশাপাশি এদিন মেলায়বিক্রিতে এগিয়ে থাকে উপন্যাস, প্রবন্ধ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানের ছাত্র রাসেল মাহমুদ সমাজকর্ম নিয়ে গবেষণাধর্মী বই খোঁজার কথা জানান।

কবিতাপ্রেমী নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আইভি রহমান মেলায় শহীদ কাদরী ও সৈয়দ শামসুল হকের কবিতাসমগ্র খোঁজেন।
তরুণ লেখক সাদিয়া ইসলাম বৃষ্টি কালের কণ্ঠ কে বলেন, মেলার দর্শক এখনও স্টলকেন্দ্রিক রয়ে গেছে। আগে থেকেই তারা সিদ্ধান্ত নিয়ে রাখছে, কোন প্রকাশনী থেকে বই কিনবে। অথচ পাশের স্টলেই যে তাদের পছন্দসই বইটি মিলবে, তা তারা জানে না।

মেলায় প্রথম দিনের অব্যবস্থাপনার ছাপ ছিল এদিনও। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এসব সম‌স‌্যারসমাধান হবে বলে আয়োজক বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষের ভাষ‌্য।

নীতিমালা মেনে প্রকাশনা সংস্থাগুলোস্টল নির্মাণের কাজ শেষ করলেও মেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশেরবিভিন্ন জায়গায় দেখা যায় স্টল নির্মাণের অবশিষ্ট বালু ও মটির স্তূপ। ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ময়লা। চালু হয়নি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশের তথ্যকেন্দ্র। এখানকার প্রবেশপথ নির্মাণের কাজও শেষ হয়নি।

এ বিষয়ে বইমেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব জালাল আহমেদ বলেন, প্রস্তুতি আছে বলেই মেলা ঠিকঠাকভাবে চলছে। প্রস্তুতি না থাকলে আরও পিছিয়ে যেতে পারত। যে সমস্যাগুলোর কথা বলা হচ্ছে তা শীঘ্রই ঠিক হয়ে যাবে। এদিন মেলার তথ্যকেন্দ্রে নতুন মাত্র পাঁচটি বই আসার কথা জানা গেছে। তবে মেলায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রথম দিনের মতো বৃহস্পতিবারও মেলায় এসেছে শতাধিক নতুন বই।


মন্তব্য