kalerkantho

তিন কর্মী হারাল রানার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৪ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



তিন কর্মী হারাল রানার

নেপালে রপ্তানির মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পণ্য হিসেবে আন্তর্জাতিক বাজারে মোটরসাইকেলের যাত্রা শুরু হয় রানার অটোমোবাইলস লিমিটেডের হাত ধরে। সেখানে রানারের ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবে কাজ করা রমন মোটর্সের কর্মীদের বিক্রয়োত্তর সেবার প্রশিক্ষণ দিতে গিয়ে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন রানারের তিন কর্মী। ৬৭ জন যাত্রী ও চার ক্রু নিয়ে নেপালে বিধ্বস্ত হওয়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বিমানটিতে ছিলেন তাঁরাও।

দুর্ঘটনায় রানার অটোমোবাইলসের হেড অব সার্ভিস ও সিনিয়র ম্যানেজার (কাস্টমার কেয়ার) এস এম মাহমুদুর রহমান, অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার মো. মতিউর রহমান, জুনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ফোরম্যান নুরুজ্জামান বাবু নিহত হয়েছেন। তিন কর্মী হারিয়ে রানার পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁদের মরদেহ ফিরিয়ে আনতে স্বজনসহ রানারের দুজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এরই মধ্যে নেপালে গেছেন।

নেপালের প্রতিযোগিতামূলক বাজারে বাংলাদেশের নিজস্ব ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেলের জায়গা করে নেওয়া ছিল খুবই চ্যালেঞ্জের। তবে দেশটিতে রানারের মোটরসাইকেল ভালোই সাড়া পাচ্ছিল। আর সেখানে রানারের বিক্রয় নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে কাজ করছে রমন মোটর্স।

এ প্রসঙ্গে রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান বলেন, ‘এই দুর্ঘটনায় আমরা অত্যন্ত শোকাহত এবং আমাদের তিন সহকর্মীর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আমরা সমবেদনা জানাই। তাঁরা রানার অটোমোবাইলসের অত্যন্ত দক্ষ কর্মী ছিলেন। বিশেষ করে বিক্রয়োত্তর সেবার ক্ষেত্রে তাঁরা রানার গ্রুপের সম্পদে পরিণত হয়েছিলেন। একজন তো রানারের শুরু থেকেই ছিলেন।’ তিনি বলেন, ‘এই দুর্ঘটনায় আমি খুবই মর্মাহত। এই ক্ষতি অপূরণীয়। আমাদের কম্পানির তরফ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।’

রানার গ্রুপের কর্মকর্তারা জানান, নিহত এস এম মাহমুদুর রহমানের গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়ায়। আর নুরুজ্জামান বাবুর গ্রামের বাড়ি পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার মুন্সিপাড়ায়। এ ছাড়া মতিউর রহমান পলাশ ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার বগাদানা ইউনিয়নের আউরালখিলের মৃত আমুন উল্লাহর ছেলে। পাঁচ ভাই এক বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট।



মন্তব্য