kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।

শুটিং স্পট থেকে

দরজার গল্প!

কোক স্টুডিওতে শুটিং হচ্ছিল আরএফএল ডোর বিজ্ঞাপনের। সেখানে ছিলেন আহমেদ ইমরান

৭ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



দরজার গল্প!

কোক স্টুডিওর ভেতরে পুরান ঢাকার আদলে গলি সাজানো। সাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি।

কিসের সেট সাজানো হচ্ছে জানতে চাইলে একজন কর্মী জানালেন, একটি গানের ভিডিওর শুটিং হবে। তার জন্যই তৈরি করা হচ্ছে এই সেট। পাশের ভবনের ভেতরে তখন শব্দ হচ্ছে—লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশন। ভেতরে ঢুকে দেখা গেল, শুটিং চলছে সেখানে। আরএফএল ইউপিভিসি ডোর বিজ্ঞাপনের শুটিং। পরিচালক টিটো রহমান। দৃশ্য ধারণ করছেন শেখ রাজিবুল ইসলাম। ফ্লোরে সেট ফেলে ফ্ল্যাট বাসার একটি রুম সাজানো হয়েছে। সেট ডিজাইন করেছেন শহিদুল ইসলাম। শহিদুল বললেন, ‘বিজ্ঞাপনের একটি দৃশ্যে রুমের ভেতর মডেল ঢুকে বিছানায় বসে কাঁদবে। তারও আগে রুমে ঢুকেই সপাটে দরজা বন্ধ করে কিছুক্ষণ দরজায় ঠেস দিয়ে দাঁড়াবে। একজন তরুণীর রুম যে রকম হয়, তেমন করে নকশা করা হয়েছে। ’ মডেলের মেকআপ শেষ। নির্মাতা টিটো শুটের জন্য প্রস্তুত। সব লাইট জ্বলে উঠল। ক্যামেরা চলছে। মডেল সৈয়দা তাজি দরজার পেছনে দাঁড়ালেন। নির্মাতা অ্যাকশন বলতেই সপাটে দরজা খুলে ভেতরে ঢুকেই বন্ধ করে দিলেন। দৃশ্যটি মনঃপূত হলো না। আবার নেওয়া হবে। মিনিট চারেক পর ফের শট। এবারও হলো না। নির্মাতা টিটো গিয়ে তাজিকে দৃশ্যটি বুঝিয়ে দিলেন। কয়েক মিনিট বিরতির পর আবার শুটিং শুরু। এবার দৃশ্যটি ‘ওকে’ করেন নির্মাতা।

বিজ্ঞাপনের গল্প সম্পর্কে জানতে চাইলে ক্যামেরার মনিটরে আগের ফুটেজ দেখালেন টিটো রহমান। একটি মেয়েকে কেন্দ্র করে এর গল্প। তার বড় হওয়া, প্রথম কারো কাছ থেকে ফুল পাওয়া, কষ্ট পেয়ে রুমে ঢুকে দরজা বন্ধ করে কাঁদা- প্রেক্ষাপটটা এমন। তিনি বললেন, ‘আমাদের জীবনের কত গল্প দরজার আড়ালে থেকে যায়, কেউ জানে না। এমন কয়েকটি গল্পের খণ্ডচিত্র নিয়ে এই বিজ্ঞাপন। পণ্য আরএফএল ডোর। আর গল্পেও নিরব মডেল হিসেবে কাজ করেছে দরজা। ’

এই বিজ্ঞাপন দিয়েই কয়েক বছর পর আবার মিডিয়ায় ফিরলেন ২০০৮ সালের লাক্স প্রতিযোগিতায় প্রথম রানার-আপ হওয়া তাজি। ছুটিতে অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে বেড়াতে এসেছেন। বেড়ানোর ফাঁকে শুটিং। বললেন, ‘গল্পটা অনেক সুন্দর। আমি এতে কিশোরী, তরুণী, স্ত্রী, মা—এমন কয়েকটি চরিত্রে অভিনয় করেছি। বিজ্ঞাপনটি দেখে সবাই মজা পাবেই। ’


মন্তব্য