kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


নবাগত

মানতে না পারা তানভীর

বাংলালিংকের নতুন বিজ্ঞাপনে ‘মানতে পারলাম না স্যার’ সংলাপ দিয়ে সাড়া ফেলেছেন তানভীর। তাঁর গল্প শোনাচ্ছেন শোভন সাহা

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



মানতে না পারা তানভীর

প্রতিটি ক্রিয়ারই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে—নিউটনের এ সূত্রকে কেন্দ্র করে বাংলালিংকের বিজ্ঞাপনটির গল্প।  

প্রেক্ষাপট ষোলো শ শতাব্দী।

  এক বিজ্ঞানীর সঙ্গে তাঁর শিষ্যের সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে। বিজ্ঞানী বলেন, প্রতিটি অ্যাকশনের সমান রি-অ্যাকশন আছে। শিষ্য বলে—মানতে পারলাম না স্যার। এরপর শুরু হয় পরীক্ষা—টেবিল টেনিস খেলা, লম্ফঝম্প করা, ডাকাতকে চড় দেওয়া। রি-অ্যাকশনে চড় হজম করতে হয় বিজ্ঞানীকে। এরপর শিষ্যকে বলেন, এবার দেখলে তো? তবু শিষ্যের জবাব—মানতে পারলাম না স্যার। বিজ্ঞানী রাগে ফেটে পড়েন- কেন মানতে পারো না?  শিষ্য জানায় বাংলালিংকের নতুন সংযোগে বিপরীত ক্রিয়ার চেয়েও বেশি সুবিধা পাওয়া যায়। বিজ্ঞাপনের ওই শিষ্য আবু হুরায়রা তানভীর। বিজ্ঞাপনটিতে মডেলিংয়ের গল্প জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অডিশনের আগে আমার বড় দাড়ি ছিল। ওটা কেটে ফেলতে হয়। কারণ আমার চরিত্রের বয়স কম। তবে গোঁফ লাগাতে হয়েছিল। ’

ট্যাম্পলিংয়ের (এক ধরনের স্প্রিং) শুটিংয়ে ঠিকমতো টাইমিং না হওয়ার জন্য ক্রেন দিয়ে তাঁকে গাছের ওপর বারবার ওঠানো হচ্ছিল। গাছটা তিনতলা বাড়ির সমান উঁচু। এরপর একটি দড়ির ওপর ঝুলে বলতে হবে—মানতে পারলাম না স্যার। দৃশ্যটিতে বেশ ভয় পান তানভীর। বলেন, ‘অত উঁচু গাছ! একবার পড়ে গেলে হাত-পা ভেঙে কয় টুকরো হবে ঠিক নেই। শটটা নেওয়ার কিছু আগেই হয়েছে বৃষ্টি। গাছটাও পিচ্ছিল। আমার এক পাশে ট্যাম্পলিং, অন্য পাশে কয়েকজন মানুষ। পড়ে গেলে ধরার জন্য। ’

আগে আরো তিনটি বিজ্ঞাপনে মডেল হয়েছেন তানভীর।

২০১১ সালে এক বন্ধু তাকে বিজ্ঞাপনে সুযোগ দেয়। কিন্তু কাজটা হয়নি। ২০১৫ সালের শেষদিকে আরেকটি বিজ্ঞাপনের অডিশন দেন। নির্বাচিত হলেও ওটা করা হয়নি। পরে ২০১৬ সালে বাংলালিংকের লাইফ ইজ ব্যালেন্স-এর মডেল হন। এরপর ফ্রুটিকা আর বাংলালিংকের ‘মানতে পারলাম না স্যার’। এখন টিটো চিপসের বিজ্ঞাপনটি অনএয়ারের অপেক্ষায়।

একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে দ্বিতীয় বর্ষে পড়ছেন তানভীর। মা-বাবার একমাত্র সন্তান। থাকেন শ্যামলীতে। হুমায়ুন ফরীদি তাঁর আইডল। নামকরা একজন মডেল হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে ছুটে চলছেন এই তরুণ।

 


মন্তব্য