kalerkantho


কোন ফলের কী ফল

কোন ফলের কী ফলাফল, না জেনেই পথ্য হিসেবে ফল খান অনেক রোগী। শিকদার মেডিক্যাল কলেজের প্রধান পুষ্টিবিদ আসফি মোহাম্মদের কাছ থেকে জেনে নিয়েছেন নাঈম সিনহা

১২ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



কোন ফলের কী ফল

ডায়াবেটিস

ডায়াবেটিস রোগীদের মিষ্টি জাতীয় ফল খাওয়া মানা, এ আর নতুন কী। তবে মন খারাপ করার কিছু নেই। কিছু দেশি হালকা মিষ্টি ফলের স্বাদ নিতে নেই মানা। হতে পারে আমড়া, জামবুড়া, জাম, কামরাঙা, পেয়ারা, আমলকী, আনারস, পেঁপে, জামরুল, ডালিম, তরমুজ, বাঙি।

পেঁপেতে রয়েছে ভিটামিন ও মিনারেল। কাঁচা ও পাকা দুই রকমের পেঁপেই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী। খিদে পেলে পেট ভরাতেও এটি অনন্য। তবে মিষ্টি পাকা পেঁপে পরিমিত খাওয়াই ভালো। তরমুজ আর জামরুলে নেই বিশেষ বিধিনিষেধ। জাম ও কামরাঙা রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখবে।

 

রক্তচাপ

যাদের রক্তচাপ বা প্রেসারের সমস্যা রয়েছে তাদের ডাবের পানি না খাওয়াই ভালো। তবে যাদের শরীরে ইলেক্টোরাল ইমব্যালেন্স ও সোডিয়াম কম তাদের জন্য এটি উপকারী। যেসব ফলে পটাশিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকে সেসব ফল রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। যেমন আপেল, কলা, কমলা, নাশপাতি, তরমুজ, আনরস, আম।

 

কিডনি সমস্যায়

কিডনি সমস্যায় যারা ভুগছেন তাদের পেয়ারা, কমলা, কলা, আপেল, নাশপাতি না খাওয়া ভালো। বিশেষভাবে পরিহার করতে হবে কামরাঙা। এসব ফল কিডনির সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। কিডনি সমস্যায় উপকারে আসবে স্ট্রবেরি, চেরি, লাল আঙুর ও আনারস।

 

হূদযন্ত্রের সমস্যায়

বাংলাদেশে বহুল জনপ্রিয় না হলেও অ্যাভোকাডো ফল হার্টের জন্য বেশ ভালো। এতে রয়েছে মনোআনস্যাটুরেটেড ফ্যাট, যা হার্টকে সুস্থ রাখে। এ ছাড়া আপেল, কলা, কালোজাম, কমলা, পেঁপে হূদযন্ত্রের জন্য ভালো। এসব ফল কোলেস্টেরল ও রক্তচাপ কমিয়ে হূদযন্ত্রকে ভালো রাখে।

 

শিশুদের জন্য

শিশুদের জন্য প্রায় সব ফল খাওয়াই ভালো। তবে ফলের রস খাওয়াতে চাইলে সরাসরি না খাওয়ানো ভালো। ফলের রসের সঙ্গে পানি মিশিয়ে খেতে দিন। এ ছাড়া আঙুর সরাসরি খেতে দেবেন না। আঙুরের খোসা ফেলে দিয়ে কিংবা জুস করে পানি মিশিয়ে খেতে দিন। আঙুর সরাসরি খেলে শিশুদের অনেক সময় হজমে সমস্যা হয়।

 

হিমোগ্লোবিন বাড়াতে

রক্তে হিমোগ্লোবিনের স্বল্পতায় নানা রোগের আশঙ্কা বেড়ে যায়। রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়াতে আনার বেশ উপকারী। শিশু ও বয়স্কদের জন্য আনার বেশ উপকারী।

আনার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে। এ ছাড়া রক্তে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়ায়।



মন্তব্য