kalerkantho

জিম

যাঁদের ওজন বেশি তাঁরাই শুধু জিমে যাবেন, এ ধারণাটি একেবারে ভুল। সবার জন্যই জিমের দরকার। কর্মব্যস্ততায় নিজেদের শরীরের যত্ন নিতে ভুলে যাই আমরা। সমস্যা তৈরি হতে থাকে বয়স বাড়ার সঙ্গে।

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



জিম

জিমে কেন যাবেন

জিমের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে রেড জিমের স্বত্বাধিকারী ও ট্রেইনার মোহাম্মদ রনি বলেন, সব বয়সীর জন্যই জিম দরকার। কাজের ভিড়ে আমরা ভুলে যাই কিভাবে নিজেদের সুস্থ রাখব। মন ভালো রাখতেও সুস্থ দেহ অত্যাবশ্যক। আমাদের লাইফস্টাইল এবং দিনের রুটিন এমন হয়ে গেছে যে জিম প্রয়োজনীয়। কারণ সকাল থেকে সন্ধ্যা কর্মক্ষেত্রে চলে যায়,  খাবারদাবারেও চলে আসে নানা অনিয়ম। অনেকের ভ্রান্ত ধারণা আছে, মোটা হলে জিমে যাওয়া উচিত। কথাটি সম্পূর্ণ ভুল।

কারা যাবে জিমে

১৫ বছর বয়স থেকে যে কেউ জিমে যেতে পারবেন। ইবনে সিনা হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ড. মোহাম্মদ লুত্ফর রহমান বলেন, আমাদের দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে মাঠ ও পার্ক নেই। অনেকেরই শরীরে কোলেস্টেরল, অতিরিক্ত চর্বির কারণে হূদরোগসহ নানা সমস্যা দেখা দেয়। তাদের জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে যায় জিমে যাওয়া। কিন্তু আগে থেকেই নিজের শরীর নিয়ে সচেতন থাকলে এমনটা হয় না।

যাঁরা ওজন কমাতে চান—যাঁদের শরীরের ওজন বেড়ে গেছে, তাঁদের জিমে যেতে হবে। প্রাথমিক পর্যায় তাঁদের ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম দেওয়া হয়। এগুলোর মধ্যে আছে—পুশ আপ, বেলি, রানিং, সাইক্লিং ইত্যাদি। ওজন একটু কমে এলে ঠিক তাঁদের অ্যাডভান্সড লেভেলের জিম দেওয়া হয়। তখন তাঁরা ওয়েট এবং ডাম্বেল নেওয়া শুরু করে।

বডিবিল্ডিং—যাঁরা নিজেদের বডি আরো ডেভেলপ করতে চান, তাঁদের জিমে যাওয়া প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে ট্রেইনারের নির্দেশনা সঠিকভাবে মেনে চলাটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমে অল্প ওয়েট দিয়ে শুরু করতে হয় এবং পরে ধীরে ধীরে ওয়েট বাড়ানো হয় শরীরের অবস্থা বুঝে।

ওজন বাড়াতে জিম—অনেকের ওজন প্রয়োজনের তুলনায় কম থাকে এবং খাওয়াদাওয়া করার পরও ওজন বাড়ে না, তাদের জন্যও দরকার জিম। এ ক্ষেত্রে তাদের প্রথম কয়েক দিন ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম দেওয়া হয়। তবে এদের ক্ষেত্রে দেখা যায়, জিম করার পর প্রচুর খিদে পায়। তবে মনে রাখতে হবে, জিম থেকে তাদের জন্য যে খাবারতালিকা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়, তা রুটিনমাফিক মানতে হবে। 

একই ওজন ধরে রাখার জন্য জিম—অনেকের জিম দরকার নিজের সঠিক ওজন ধরে রাখতে। বিশেষ করে নরমাল শেইপ ধরে রাখতে জিম প্রয়োজন। অনিয়মে ওজন বেড়েও যেতে পারে আবার কমেও যেতে পারে। তাই জিমে যাওয়া প্রয়োজন।

 

 

ঢাকার কয়েকটি জিম

মোহাম্মদপুর

রেড জিম

অবস্থান : হাউস-৩১, ১১-এ, ব্লক-সি, তাজমহল রোড,

মোহাম্মদপুরের প্রিন্স বাজারের পেছনে।

ফোন : ০১৯৮৩৬৩৪৩৯০।

ইউনিভার্সাল জিম

অবস্থান : হাউস-১৮৯/১, শ্যামলী, রোড-২, ফোন : ০১৮১৭১০৮৯৫৮।

এলিট জিম

রোড-১১, ব্লক-এফ, মাদরাসা রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।

ফোন : ০১৭৮৭৮১৫৪১৬।

মাল্টি জিম

অবস্থান : ২৪/৩, তাজমহল রোড।

জাপান গার্ডেন সিটির পাশে।

ফোন : ০২-৯১০৪০৬৪।

পশ জিম

অবস্থান : হাউস-৪৫, প্রবাল টাওয়ার, প্রবাল হাউসিং লিমিটেড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা। ফোন : ০১৬৩১২০০৬৬৬।

 

ধানমণ্ডি

বডি স্পা জিম অ্যান্ড হেলথ কেয়ার

অবস্থান : হাউস-১/এ, রোড-১৩, ধানমণ্ডির মেট্রো শপিং মলের উত্তরে, মিরপুর রোড। ফোন : ০১৭১১২৬৮৪৪২।

ফিটনেস ওয়ার্ল্ড

অবস্থান : হাউস-৩৬, রোড-২, ধানমণ্ডি, ঢাকা। ফোন : ০১৭১১২০৫০১১।

ড্রিমস ফিটনেস ক্লাব

অবস্থান : হাউস-১০০/১, রোড-১১/এ, সাতমসজিদ রোড, ঢাকা।

ফোন : ০১৯৫৪৯৬৪৪২৭।

 

বনানী

হ্যামার ফিটনেস ক্লাব

অবস্থান : হাউস-১৪১, রোড-১২, বনানী, ঢাকা। ফোন : ০১৯১৬৬৬৩৭২৬।

ক্যালিফোর্নিয়া ফিটনেস

অবস্থান : হাউস-৭৯, রোড-গুলশান নর্থ এভিনিউ, ঢাকা।

ফোন : ০১৭১৫৬৯৮৮৮৮।

হেলথ কেয়ার ফর ইউ

অবস্থান : বনানী, ৭ নম্বর রোড।

 

উত্তরা

টাইগার ফিটনেস জিম

অবস্থান : হাউস-৩৪, জুয়েল টাওয়ার, সেক্টর-১১, উত্তরা, ঢাকা।

ফোন : ০১৬৩৩৭১৯৯৩৬।

মাই জিম

অবস্থান : হাউস-৩১, রোড-৬/এ, সেক্টর-৫, উত্তরা।

ফোন : ০১৯১২৭১০৭০০।

ক্রস ফিট

অবস্থান : হাউস-২, রোড-২/এ, ঢাকা। ফোন : ০২-৫৫০৮৭৪৩৭।

 

এছাড়া

গোল্ডস জিম- পান্থপথ

রতনস হেলথ ক্লাব- গুলশান ১

স্পোর্টস জোন- ক্যান্টনমেন্ট, মহাখালী

মাসলটেক বিডি জিম- পল্লবী

ইএলবি ফিটনেস সেন্টার- রমনা, মগবাজার

ফিটনেস ওয়ার্ল্ড- শাহবাগ

নাজিরাবাজার শরীরচর্চা কেন্দ্র- বংশাল, নাজিরা বাজার

জিম প্লাস- ওয়ারী

হাবিবুল্লা বাহার জিম- সূত্রাপুর, নারিন্দা

 



মন্তব্য