kalerkantho


সোনালি আঁশে মুজিব কোট

আগে শুধু ছেলেদের জন্যই ‘মুজিব কোট’ ছিল। এবার ছেলে-মেয়ে উভয়ের জন্য মুজিব কোট তৈরি করেছেন ফ্যাশন শিক্ষাবিদ ও ডিজাইনার শুভ্রা সাহা। পাট দিয়ে কিভাবে মুজিব কোট বানালেন—বলছেন তিনি নিজেই

১৩ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



সোনালি আঁশে মুজিব কোট

মডেল : রাজ্য ও সংগীতা। ছবি : অশোক বড়ুয়া

১৭ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী। আর ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস।

বাঙালি জাতির জন্য বিশেষভাবে স্মরণীয় এ দুটি দিন। বিশেষ এই দিন দুটিকে সামনে রেখে ‘মুজিব কোট’ তৈরি করেছি। আমার এই সংগ্রহের নাম ‘ট্রিবিউট টু ফাদার অব নেশন’। বঙ্গবন্ধুর দেশপ্রেম ও তাঁর চেতনাকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াই এই সংগ্রহের মূল উদ্দেশ্য। বঙ্গবন্ধু কালো রঙের হাতা কাটা কোট পরতেন, যেটা পরে মুজিব কোট নামে ব্যাপক পরিচিতি পায়। কালো রঙের বোতাম, বুকে একটা পকেট ও নিচের দিকটায় দুই পাশে দুটি পকেটওয়ালা এই কোটটি  তাঁর ভক্ত ও অনুরাগীদের কাছে দারুণ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বঙ্গবন্ধুর অকুতোভয় ব্যক্তিত্ব, তাঁর দর্শন, মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা সব সময় আমার জন্য বিশাল অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর পৃষ্ঠপোষকতায় প্রথম বাংলাদেশ জুট রিসার্চ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমান সরকারও পাটের সোনালি গৌরব ফিরিয়ে আনতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। বাংলাদেশের সোনালি আঁশ পাট দিয়েই আমি মুজিব কোটের ডিজাইন করেছি। পাটের আঁশকে নানাভাবে পরিশুদ্ধ করে, রাসায়নিক ওয়াশের মাধ্যমে সেটা পরার উপযোগী করা হয়েছে। পোশাকটি যেন আরামদায়ক হয়, সেদিকেও খেয়াল ছিল। এত দিন পর্যন্ত শুধু ছেলেরাই মুজিব কোট পরত; এবার আমি নারীদের জন্যও তাদের উপযোগী করে মুজিব কোট বানিয়েছি। মূল কোটের আদলটা ঠিক রেখেই করেছি সেটা। বঙ্গবন্ধু যে কোট পরতেন তা ছিল কালো রঙের। তারুণ্যের উচ্ছলতার কথা বিবেচনা করে সোনালি আঁশে নানা রঙের ছোঁয়া দিয়েছি। কালোর পাশাপাশি ব্যবহার করেছি উজ্জ্বল রং। এই কোটে নারিকেলের মালা দিয়ে বানানো বোতাম ব্যবহার করেছি। স্ক্রিন প্রিন্টের মাধ্যমে কোনো কোনো কোটের পুরো বডিতে একাধিক ও কোনোটার বুক পকেটের ঠিক ওপরে বঙ্গবন্ধুর একটি হাস্যোজ্জ্বল প্রতিকৃতি ব্যবহার করেছি। যোগাযোগ :

onlysubhra1@gmail.com

 

গ্রন্থনা : পিন্টু রঞ্জন অর্ক


মন্তব্য