kalerkantho


উদ্‌যাপন

৩ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



উদ্‌যাপন

অষ্টমীতে বাবার সঙ্গে আর নবমীতে  বরের সঙ্গে প্রতিমা দেখব

উর্মিলা শ্রাবন্ত্তি কর

অভিনেত্রী

পূজার প্রতি ছোটবেলা থেকেই অন্য রকম দুর্বলতা। গত তিন বছর  দুর্গাপূজার বিশেষ নাটকে অভিনয় করছি। এবার করেছি ‘তিতির অতিথি’ নামের নাটক। শুধু নাটক নয়, পূজার কটা দিন খুব আনন্দ করেই কাটাই। এবার শুটিং করতে হবে সপ্তমী পর্যন্ত। তাই অষ্টমীর দিন থেকেই আমার পূজা শুরু হবে। এই দিন খুব সেজেগুজে বের হব। বাবার হাত ধরে ছোটবেলার মতো মণ্ডপে ঘুরব। আগে ইচ্ছামতো ঘুরতে পারতাম। এখন আর পারি না। ভক্তরা ঘিরে ধরে সেলফি তুলতে চায়। এটাতেও অনেক মজা পাই। পূজায় বরের দেওয়া সাদা আর হলুদ রঙের নকশা করা সুতির শাড়ি পরব। শাড়িটা সাদামাটা হলেও ব্লাউজটা জমকালো। ব্লাউজটা শাশুড়ি মা কলকাতা থেকে এনেছেন। গয়না পছন্দ নয়, তবে পূজার সাজে ভারী গয়না পরব। সিঁথিতে সিঁদুর দিয়ে চুল বেণি করে গাজরার মালা পরব। আলতাও দিতে পারি হাতে-পায়ে। নবমীতে বরের সঙ্গে প্রতিমা দেখব। দশমীতে বাড়িতে থাকব। অনেক অতিথি আসবে। তাদের জন্য আমিষ-নিরামিষ দুটোই রাঁধব।

 

সেজেগুজে গান করব আর ঠাকুর দেখব

বাঁঁধন সরকার পূজা

গায়িকা

প্রতি পূজায় বিভিন্ন মণ্ডপে কনসার্ট করে সময় চলে যায়। গত পূজার কথা সারা জীবন মনে থাকবে। ফার্মগেটের খামারবাড়ির পূজা মণ্ডপে গান করছি। গান শেষে মঞ্চ থেকে নামতেই দেখি একজন বয়স্ক লোক তাড়াহুড়া করে এগিয়ে আসছেন। কাছে এসে বলতে লাগলেন, তিনি চানাচুর বিক্রি করেন এবং আমার ভক্ত। আমার জন্য কিছু উপহার এনেছেন, আমাকে নিতেই হবে। উপহারের প্যাকেটে ছিল বাতাসা, আইসক্রিম আর চুড়ি। এবার পূজায়ও ঢাকার কয়েকটি মণ্ডপে গান করব আর এর ফাঁকে ফাঁকে ঠাকুর দেখব। অষ্টমীতে পরার জন্য কলকাতা থেকে মা সাদা আর গোলাপি রঙের আনারকলি এনে দিয়েছেন। দশমীতে পরব সাদা-লাল গরদের শাড়ি।

কথা বলেছেন : মাসিদ রণ


মন্তব্য