kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


তারকার বাড়ি

প্রাণ-কাকলির ঘরদুয়ার

অভিনেতা প্রাণ রায় আর চলচ্চিত্র নির্মাতা শাহনেওয়াজ কাকলি দম্পতি থাকেন রাজধানীর পরিবাগে। তাঁদের বাড়ির সাজ দেখে এসে লিখলেন মাসিদ রণ। ছবি : তারেক আজিজ নিশক

৩ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



প্রাণ-কাকলির ঘরদুয়ার

সদর দরজার একপাশে বাহারি মুখোশ আর অন্য পাশে বাঁশ দিয়ে বানানো ল্যাম্পশেড। মূল ফটক দিয়ে ঢুকতেই হালকা নীলাভ আলোর খেলা।

সরু করিডরের দেয়ালে দৃষ্টিনন্দন সব পেইন্টিং। পাতলা কাঠের তাকে আড়ং থেকে কেনা কাঠের হাতি আর ঘোড়া। পেইন্টিং আর তাকের মাঝখানটায় আরো একটা বড় রঙিন মুখোশ, যেটি প্রাণ রায়ের নিজের তৈরি করা। করিডর থেকে বাম পাশে মোড় নিলে ছিমছাম বসার ঘর আর ডানদিকে অতিথির ঘর। সোজা গেলে খাবার ঘর। বসার ঘরে ঢুকলে প্রথমেই চোখে পড়ে কাঠের সেন্টার টেবিল। টেবিলটা নৌকার আদলে বানানো। উচ্চতাও খুব বেশি নয়। দেয়াল লাগোয়া সোফা, টিভি ও লম্বা কাঠের কেবিনেট। এর একটি তাকে রয়েছে প্রাণ রায়ের সংগ্রহ করা প্রায় ৪০ ডিজাইনের কুপি। কোনোটি পিতলের, কোনোটি মাটির, কোনোটি আবার চিনামাটির। অন্য তাকগুলোতে রয়েছে ছোট ছোট মাটির পুতুল। টিভির পাশে রয়েছে একটি খোল, তবলা আর ছোট দু-একটি বাদ্যযন্ত্র ও চিনামাটির তৈজসপত্র। লোহাইট সোফার সাদাকালো কাভার আর কুশন। সোফার পাশে নাটকের প্রপস রাখার জন্য বানানো ভারী কাঠের সিন্দুক। পিতলের পাত দিয়ে এর ডিজাইন করা।

খাবার ঘরে অল্প উচ্চতার গোলাকার টেবিলটির টপটা পাথরের। তার পাশে কাঠের চেয়ারগুলোও লোহাইট। ডাইনিংয়ের দেয়াল লাগোয়া কেবিনেট ভর্তি মাটির তৈজসপত্র।

অতিথি ঘরের সাজটা একটু আয়েশি ধরনের। এ ঘরের পালঙ্কটা অনেক পুরনো ডিজাইনের ভারী বার্মিজ কাঠের তৈরি। উচ্চতাও অনেক বেশি। তার ওপর সাদা বেডশিট। পালঙ্কের একপাশে রাখা আলমারির ডিজাইনও সাবেকি পুরনো আমলের। অন্য পাশে ইজি চেয়ার। তার পাশের দেয়ালে ঝোলানো হরিণের শিং। এ ঘরের একটি দেয়াল হাইলাইট করা মার্বেল পাথরের টাইলস দিয়ে। তার পাশেই ডিজাইনের ভিন্নতা আনার জন্য পুরনো দিনের ঘরের নকশার জানালা বসানো। ঠিক এর নিচেই একটি টি-টেবিলে টেলিফোন, টেবিল ঘড়ি ও ল্যাম্পশেড রয়েছে। আর দরজার পাশে কাঠের বাক্সের ওপর রয়েছে গড়গড়ি ও চিলমচি। এ ছাড়া বিভিন্ন ঘরের দেয়ালের খালি জায়গায় ঝোলানো নানা ধরনের পেইন্টিং।


মন্তব্য