kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ইন্টেরিয়র

দ্রষ্টব্য দেয়াল

প্রতিটি কক্ষের রং আলাদা। আবার একই কক্ষেও থাকছে একাধিক রং। রঙের বাহারি নকশা, ওয়াল পেইন্টিং, নকশাদার ওয়ালপেপার কত যে বৈচিত্র্য। কেবল রুচি আর পছন্দ নয়, দেয়াল সাজাতে মাথায় রাখুন বেশ কিছু বিষয়। বিস্তারিত জানাচ্ছেন ইন্টেরিয়র ডিজাইনার গুলশান নাসরিন চৌধুরী

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



দ্রষ্টব্য দেয়াল

ঘরের রং নিয়ে সবাই ভাবি। তাই রঙের ভালোমন্দের বিষয়গুলো জানাও জরুরি।

ওয়াল পেইন্টিং, স্টিকার, ওয়ালপেপার, ইলিউশন, পেইন্টিং পছন্দ আর রুচি অনুযায়ী দেয়াল সাজাতে পারেন। তবে সাবধান হতে হবে নকশা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে। একই ঘরে একাধিক রং নির্বাচনের ক্ষেত্রে একটি গাঢ় রং বাছাই করুন। একটি দেয়ালে গাঢ় রং দিয়ে বাকি তিনটি দেয়ালে সাদা, অফহোয়াইট বা গাঢ় রঙের একেবারে হালকা শেড ব্যবহার করতে পারেন।

দেয়ালে এখন বিভিন্ন রঙের মিশ্রণ বা ইলিউশন বেশ জনপ্রিয়। ইলিউশনের নকশা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে। ভুল নকশা অজান্তেই আপনার মনকে বিক্ষিপ্ত করতে পারে। ইলিউশনের কিছু নকশা শিশুদের জন্য উপযোগী নয়। এ ধরনের নকশা নির্বাচনের আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া ভালো। তবে ইলিউশন ব্যবহার করলে ফ্লোরাল কিংবা লতাপাতা নকশা বাছাই করা নিরাপদ।

সিলিং ও মেঝেতে সাদা রং সবচেয়ে নিরাপদ, বিশেষ করে দেয়ালে বিভিন্ন রঙের সমন্বয়, পেইন্টিং বা ওয়ালপেপার থাকলে সিলিং ও মেঝে হালকা এবং একরঙা হওয়া জরুরি।

ওয়াল পেইন্টিং জনপ্রিয়তায় মেতেছে ইন্টেরিয়র দুনিয়া। শিশুর ঘর থেকে শুরু হয়ে বৈঠকখানা পর্যন্ত ওয়াল পেইন্টিং করা হচ্ছে হরেক মোটিফ আর নানা রকম থিমে। বড় দেয়ালে মনমতো পেইন্টিং করা যায়। তবে ছোট ঘরের পুরো দেয়ালে নকশা করলে দেখতে জবরজং লাগে। এ ক্ষেত্রে দেয়ালের কিছু বিশেষ অংশ যেমন ঘরের কোণে, দরজা বা জানালার পাশে ছোট আকারের নকশা করুন। খাটের মাথার ওপরের অংশ বা ডেসিং আয়নার দুই পাশেও নকশা করতে পারেন। শিশুর রিডিং জোন বা খেলনার ক্যাবিনেটের পাশের দেয়ালে নকশা ভালো দেখাবে।

 

জেনে নিন

ঘরে রং করার প্রথম ২৪ ঘণ্টা দেয়ালে হাত লাগানো বা ঘরে বসবাস না করাই ভালো। রঙের গন্ধ পুরোপুরি শুকিয়ে যাওয়ার পর বসবাস শুরু করুন। নতুন রং করা ঘরে বেশি করে ইনডোর প্ল্যান্ট রাখুন। দূষিত পদার্থ শুষে নিয়ে বাতাস বিশুদ্ধ করতে গাছের জুড়ি নেই।


মন্তব্য