kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ছিমছাম মেহেদি

কাজের ব্যস্ততা থাকলেও মেহেদি ছাড়া ঈদ ভাবা যায় না। অল্প সময়ে ঘরে বসে ছিমছাম নকশার মেহেদি লাগিয়ে নিতে পারেন। আর পার্লার তো আছেই। বাড়ি এসে মেহেদি পরিয়ে দেয় এরকম অনলাইন ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। এবারের মেহেদির ট্রেন্ড জানালেন বিন্দিয়া বিউটি স্যালনের রূপবিশেষজ্ঞ শারমিন কচি

১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



ছিমছাম মেহেদি

মেহেদির নকশা এখন আধুনিক ঢংয়ে। ময়ূর ও কলকার মতো চিরায়ত নকশার ব্যবহার কম।

নতুনত্ব আনতে চরকা, পানপাতা, নকশি পিঠা, দাবার ছক—এই সবের সমন্বয়ে নকশা হচ্ছে।

হাত বড় হলে ভরাট নকশা ভালো লাগবে। ছোট বা চিকন হাতে লম্বালম্বি নকশা ভালো মানায়। হাত ভর্তি করে ভরাট নকশা না দিয়েও হাতটা ভরাট দেখাতে পারেন। সে ক্ষেত্রে গুচ্ছ গুচ্ছ করে কয়েকটি নকশা করুন হাত ভরে।   হাতের তালুতে রাখুন ছোট মোটিফের নকশা। নখের চারপাশে ভরাট করে মেহেদি লাগানোর চল পুরনো। বরং হাতের নকশাই ছোট করে নিয়ে আসুন আঙুলে, নখের ওপরের অংশে। এখন বাজুতেও মেহেদি লাগানোর ট্রেন্ড। হাতাকাটা কামিজের সঙ্গে বাহুতে বাজুবন্ধের মতো সুন্দর আলপনা এঁকে নিতে পারেন। মেহেদির ডিজাইন যেন খুব ঘন বা চিকন না হয়। চিকন ডিজাইনে রং গাঢ় হয় না। আর ঘন ডিজাইনে নকশা ভালো দেখায় না। মেহেদির রং গাঢ় করতে আট ঘণ্টা হাত ভেজাবেন না। ওয়াক্সিং করার দু-তিন  দিন পর মেহেদি পরা উচিত। নয়তো আপনার ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। সাধারণত সারা রাত হাতে মেহেদি রেখে দিলে রং ভালো হয়। রং আরো বেশি লাল করার জন্য মেহেদি ওঠানোর পর চিনি ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে হাতে মেখে বাতাসে শুকিয়ে নিন। দীর্ঘস্থায়ী রঙের জন্য সাবান ও পানি যতটা সম্ভব কম ব্যবহার করুন। টিউব মেহেদিতে অ্যালার্জি হলে ল্যাকটোক্যালামাইন ব্র্যান্ডের লোশন ব্যবহার করে তার ওপর মেহেদি লাগাতে পারেন। শিশুদের হাতে  মেহেদি দেওয়ার আগে সামান্য মেহেদি লাগিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। সমস্যা না হলে বাকিটা লাগান।


মন্তব্য