kalerkantho


অটুট থাকুক নিরাপত্তা

নিরাপত্তার কথা ভেবে পেরেশান না হয়ে একটু সাবধানতা কিংবা খানিকটা সতর্ক হোন। তাহলে এড়িয়ে যেতে পারবেন চুরি-ডাকাতি কিংবা আগুন লাগার মতো বিপদ থেকে। বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে নানা উপায় জানালেন মোহসীনা লাইজু

২৮ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



অটুট থাকুক নিরাপত্তা

দুই সন্তান আর শাশুড়িকে নিয়ে লীনার সংসার। স্বামী প্রবাসী।

তার ওপর পাশের ফ্ল্যাটের ডাকাতি। তাই সর্বক্ষণ লীনার চুরি-ডাকাতির ভয়। আফসানার সমস্যা আবার অন্য। নতুন কাজের লোক রেখেছেন। কাজকর্মে ভালো,পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও চটপটে। কিন্তু সমস্যা অন্য খানে, ভারি ভোলা মন। রান্নার পর হয়তো গ্যাস বার্নার বন্ধ করতে ভুলে যায় কিংবা কাপড় ইস্ত্রি করে গরম ইস্ত্রি মেশিন যেখানে-সেখানে রেখে দেয়। এমদাদ হক ও সুষমা হকের বিষয়টা ও লীনার মতো। অবসর জীবনে প্রায়ই ছেলেমেয়ের বাড়িতে ঘোরাঘুরি করেন। ফ্ল্যাটটা খালি থাকে। ভয় চুরি-ডাকাতির। এ রকম ছোট-বড় নানা সমস্যার মধ্যে আমাদের দিন কাটে।

আমরা যতই আধুনিক হচ্ছি, বিপদ-আপদের ধরন আর সংখ্যা যেন বাড়ছে। নানা জানা-অজানা বিপদ থেকে কিভাবে বাঁচবেন আবার কিভাবে নির্ভাবনায় থেকে নিশ্চিন্তে জীবন কাটাবেন নিজে ও পরিবারের লোকজন তার পরামর্শ দিলেন গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের গৃহ ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক রাফিকা সুলতানা ও বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের গৃহ ব্যবস্থাপনা ও গ্রহায়ণ বিভাগের শিক্ষক নাসিমা নাসরিন

 

সাবধানতা

 

বাথরুম

►    বাথরুমে গোসলের জায়গায় ‘গ্র্যাব বার’ (পড়ে যাওয়ার আগে যা ধরতে পারবেন) লাগাবেন।

►    বাথরুমের ম্যাট বা পাপোশ যেন ‘নন স্লিপ’ হয়। বাথরুম ব্যবহার শেষে মেঝে পরিষ্কার ও শুকনো রাখবেন। পা পিছলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে না।

►    বাথরুম পরিষ্কার করার সময় ঠিকমতো পানি দিয়ে ধুয়ে-মুছে নেবেন। পরিষ্কারে পিচ্ছিল উপকরণ থেকে গেলে পা পিছলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

►    বাড়িতে বাচ্চা থাকলে সাবান, তেল, শ্যাম্পু তার নাগালের বাইরে রাখবেন। মুখে দেওয়ার প্রবণতা তো থাকেই, এগুলো মাটিতে ফেললে বাচ্চার সঙ্গে সঙ্গে বড়দের পা পিছলে পড়ে যাওয়ারও আশঙ্কা থাকে। ।

►    বাথরুমে মেডিসিন ক্যাবিনেট থাকলে তালা দিয়ে রাখবেন।

►    ছোট বাচ্চাদের কখনোই বাথরুমে একলা রেখে আসবেন না।

►    বাচ্চাকে গরম পানিতে গোসল করানোর আগে সব সময় নিজে পানির তাপমাত্রা পরীক্ষা করে নেবেন।

►    গোসল করার সময় ভেজা হাতে ইলেট্রিক সুইচে হাত দেবেন না।

রান্নাঘর

►    ছুরি, বঁটি, কাঁচি, দিয়াশলাই বা লাইটার শিশুদের নাগালের বাইরে রাখবেন।

►    বঁটিতে কাজ করতে করতে যদি উঠে যান, তাহলে বঁটি শুইয়ে দিয়ে যাবেন।

►    প্রয়োজনে কোনো একটি (বা দুটি) ক্যাবিনেটে চাইল্ড সেফটি লক লাগান আর সেখানে ছুরি, বঁটি ও কাঁচি রাখুন।

►    আপনার রান্নাঘরের ইলেকট্রিক্যাল লাইন ও সুইচগুলো মাঝেমধ্যে চেক করে নিন। সঙ্গে আর্থিং ঠিক আছে কি না সেটাও দেখুন।

►    রান্নার পরে গ্যাস ঠিকমতো বন্ধ করবেন।

►    রান্নাঘরে অবশ্যই ফায়ার এক্সটিং গুইশার রাখবেন।

►    তোয়ালে, ঝাড়ন, কাগজ, প্লাস্টিক ব্যাগ ইত্যাদি সহজদাহ্য বস্তু চুলার পাশ থেকে দূরে রাখুন।

►    খুব ঢিলেঢালা ও সিন্থেটিক পোশাক পরে রান্না করবেন না। রান্নার সময় শাড়ির আঁচল গুঁজে রাখবেন।

►    রান্নার সময় হাতের কাছে পানি রাখুন। কাজের সুবিধা ও হঠাৎ ছ্যাঁকা লেগে বা পুড়ে গেলে  দ্রুত ঠাণ্ডা পানি দিতে পারবেন।

►    রান্নাঘরে এগজস্ট বা চিমনি নিয়মিত পরিষ্কার করবেন। বেশি তেলতেলে হয়ে  গেলে আগুন লাগার আশঙ্কা থাকে।

 

বিদ্যুৎ থেকে বাঁচতে

►    বাড়ির ভেজা জায়গা যেমন—বাথরুম বা রান্নাঘরে আর্থিং করা আছে কি না জেনে নিন।

►    বাচ্চাদের জন্য আপনার বাড়ির ইলেট্রিক সুইচ যথেষ্ট নিরাপদ মনে না হলে সকেট-লকের ব্যবস্থা করতে পারেন।

►    চলাচলের রাস্তায় যেন কোনো ইলেট্রিক তার না থাকে। তাতে হোঁচট খাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

►    সুইচ বোর্ডের কাছে কোনো পানি চুইয়ে পড়ছে কি না কিংবা ড্যাম্প ধরেছে কি না তাও খেয়াল রাখুন।

►    কাউন্টার টপ ইলেকট্রিক্যাল অ্যাপ্লায়েন্সগুলো (ইস্ত্রি, মিক্সার, টোস্টার ইত্যাদি) যেন গ্যাস বা সিঙ্ক থেকে দূরে থাকে। ব্যবহারের পর অবশ্যই সুইচ বন্ধ করে প্লাগ খুলে রাখবেন।

►    একসঙ্গে অনেক ইলেকট্রিক গ্যাজেট চালাবেন না।

►    বাইরের দেয়ালের সুইচ বোর্ড যেন ঢাকা দেওয়া থাকে, যাতে বৃষ্টির পানি না লাগে।

►    এসি, গিজার ইত্যাদি নির্দিষ্ট সময় পর পর নিয়মিত সার্ভিসিং করাবেন।

 

গ্যাস থেকে সাবধান

►    রান্না শেষে গ্যাস বার্নার বন্ধ সম্পর্কে বাড়ির সবাইকে বলে রাখবেন। গ্যাস সিলিন্ডারে কখনো সস্তার টিউব লাগাবেন না।

►    বাড়িতে ঢুকে যদি মনে হয় গ্যাসের গন্ধ বেরোচ্ছে তাহলে প্রথমই বাড়ির সব জানালা-দরজা খুলে দিন।

►    যদি মনে হয়, গ্যাস লিক হচ্ছে, তাহলে কখনোই গ্যাস বা অন্য কোনো আগুন (মোমবাতি বা সিগারেট ইত্যাদি) জ্বালাবেন না। কোনো সুইচ বা অ্যাপ্লায়েন্স জ্বালাবেন না। প্রথমেই সাবানের ফেনা করে গ্যাসের ভালভ বা পাইপে লাগিয়ে দেখুন বুদবুদ উঠছে কি না। যদি বুদবুদ বেরোয় তাহলে বুঝবেন গ্যাস লিক হচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে গ্যাসের মিস্ত্রিকে খবর দিন।

►    দিয়াশলাই বা লাইটার জ্বালার আগে গ্যাসের নব ঘুরিয়ে দেবেন না। আগে লাইটার বা দিয়াশলাই জ্বালিয়ে তারপর গ্যাস জ্বালাবেন।

►    যে ঘরে রান্না করছেন অর্থাৎ যে ঘরে গ্যাস জ্বলে, দেখবেন সেখানে যেন যথেষ্ট আলো-হাওয়া খেলে। জানালা-দরজা সহজে খোলা যায়।

বাড়ির নিরাপত্তার চেক লিস্ট

►    বাড়িতে ঢোকার সব কয়টা দরজায় ঠিকমতো তালা দেওয়া যায় এবং ঠিকঠাক কাজ করছে কি না খেয়াল রাখুন।

►    সেফটি ল্যাচ লাগিয়ে নেবেন। দরজা পুরো না খুলেই অনেক কাজ সারতে পারবেন।

►    কাচের জানালা বা দরজা থাকলে তার বাইরে গ্রিল বা কলাপসিবল গেট লাগাবেন।

►    বাগান বা বড় গাছ থাকলে তা যেন নিয়মিত ছাঁটা হয়। চেষ্টা করবেন জানালার কাছে বড় গাছ না লাগাতে। আর থাকলে নিয়মিত ডাল-পালা ছেঁটে দেবেন।

►    রাতে সব কয়টা গেট এবং দরজা-জানালা ঠিকমতো বন্ধ করে ঘুমাতে যাবেন। বাড়ির পেছন দিক, গ্যারেজ, গলি ইত্যাদি অবহেলিত জায়গাগুলোতে রাতের বেলায় যেন যথেষ্ট আলো থাকে।

►    বার্গলার্স অ্যালার্মটা কলিংবেল লাগানোর মতোই মাস্ট করে ফেলুন।

►    দরজায় অবশ্যই আই হোল লাগাবেন। তাহলে দরজা খোলার আগেই জানতে পারবেন কে এসেছে।

►    যদি বেশি দিনের জন্য বাড়ি বন্ধ করে বাইরে যান, তাহলে প্রতিবেশীদের অনুরোধ করবেন খেয়াল রাখার জন্য।

►    অবশ্যই কাজের লোক রাখার ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়ে নেবেন। ভোটার আইডির ফটোকপি রেখে দেবেন।

►    বাড়িতে সিকিউরিটি গার্ড রাখার ব্যাপারে সাবধান হবেন। বড় এজেন্সি থেকে নিলে সমস্যা অনেক কম হবে।

►    চাবি যদি কখনো ফেলে যান, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে তালা পালটে নতুন চাবি করে নেওয়া উচিত। কারণ অনেক সময় সাবানে চাবির ছাপ ফেলে তার থেকে নতুন চাবি বানানো যায়। সে ক্ষেত্রে চুরি হওয়ার ভয় থেকেই যায়।

 

 শিশুর জন্য

►    বাচ্চার প্রয়োজনীয় ইমার্জেন্সি ওষুধ বা ফার্স্ট এইড সব সময় স্টক করে রাখবেন।

►    বাচ্চাদের হাতের কাছে কখনোই দড়িজাতীয় জিনিসও রাখবেন না। হাত, পা, গলায় ফাঁস লেগে যেতে পারে।

►    কখনোই কোনো ধরনের ছোট জিনিস যেন তাদের হাতের নাগালের কাছে না থাকে। গিলে ফেললে বা নাক-কানে ঢুকিয়ে ফেললে বিপদ হতে পারে।

►    বাচ্চা যেখানে থাকবে সেখানকার মেঝেতে যেন পানি না পড়ে। স্লিপ করে যাবে এমন ম্যাট বা কার্পেট রাখবেন না।

►    বাচ্চাকে শুইয়ে দেওয়ার পর দেখবেন কোনো রকমে যেন কম্বল বা চাদরে মুখ চাপা না পড়ে যায়।

►    কোণ আছে—এমন আসবাব সরিয়ে রাখাই ভালো। এতে বাচ্চার হাঁটা-চলার সময় আঘাত লাগতে পারে।

►    সিঁড়ির মুখে গ্রিল বা বেড়াজাতীয় গেট দিয়ে দিন।

►    বাচ্চার জন্য যদি আলাদা ঘরের ব্যবস্থা থাকে, তাহলে অবশ্যই তার আসবাব, ইলেকট্রিক লাইন ইত্যাদি যত্ন নিয়ে করাবেন।

►    বাচ্চার খেলনা পছন্দের সময় সাবধান হবেন। তীক্ষ কোনা আছে—এমন খেলনা কিনে দেবেন না। খেলনা যদি কোনো ভাঙা বা টুকরো হয়ে যায়, প্রয়োজনে সেগুলো ফেলে দেবেন।

►    বাচ্চার পোশাক সব সময় দেখে পরাবেন।   বোতামগুলোও নিয়মিত পরীক্ষা করবেন। বাচ্চারা এগুলো খুলে, ছিঁড়ে মুখে-চোখে ঢুকিয়ে দিতে পারে।

 

আগুন থেকে বাঁচতে

►    রান্না করতে করতে কখনো রান্নাঘর ছেড়ে আসবেন না। প্রয়োজনে চুলা বন্ধ করে বেরোবেন।

►    সহজেই দাহ্য যেমন—কাগজ, কাপড় ইত্যাদি বস্তু গ্যাসের অন্তত তিন ফুট দূরে সরিয়ে রাখবেন।

►    রান্না করার সময় ঢিলেঢালা পোশাক পরবেন না। ওড়না, শাড়ির আঁচল, জামার হাতা ইত্যাদি সাবধানে রাখবেন। সিন্থেটিক পোশাক একেবারেই পরবেন না।

►    দিয়াশালাই বা লাইটার ক্যাবিনেট বা ঢাকা জায়গায় রাখবেন।

►    গ্যাসের চুলা বা চিমনি ইত্যাদি নিয়মিত পরিষ্কার ও সার্ভিস করাবেন।

►    বন্ধ জায়গায় সিগারেট না খাওয়াই ভালো। খাওয়া শেষে আগুনের ফুলকি নিভে গেছে কি না দেখে নেওয়া উচিত।

►    বাড়িতে যে অ্যাশট্রে রাখবেন তা যেন খুব গভীর হয়, অ্যাশট্রেতে পানি দিয়ে রাখবেন।

 

বয়স্কদের জন্য

►    সিঁড়িতে যেন ধরে ওঠার জন্য রেলিংয়ের ব্যবস্থা থাকে।

►  বাড়ির সর্বত্র যেন আলোর সুব্যবস্থা থাকে।

►  রাতে বয়স্কদের ঘরে, করিডরে ও বাথরুমে আলো জ্বালিয়ে রাখবেন।

►  প্রয়োজনে বয়স্কদের ঘরে রাতে ডিম লাইটের ব্যবস্থা রাখুন।

►  বয়স্কদের ঘর বা তাঁদের ব্যবহারের জায়গায় বেশি আসবাব না থাকাই ভালো।

►  মেঝেগুলোতে যেন পানি না পড়ে থাকে। দড়ি, ম্যাট বা কার্পেট থাকলে তবে দেখবেন তা যেন পিছলে না যায়।

►  তাঁদের জুতা এমন হাওয়া উচিত, যাতে পিছলে না যায়।

►  বাথরুমে তাঁদের জন্য বিশেষ ধরনের ধরার (গ্র্যাব বার) ব্যবস্থা করবেন।

►  অনেক ক্ষেত্রে বয়স্করা বাথরুমে পড়ে যান। তাই বাথরুম যেন ধোয়ামোছা থাকে। যদি ম্যাট থাকে তাহলে সে ক্ষেত্রেও সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

 

পুলিশের কথায়

►    বাড়িতে যখন কাজের লোক রাখবেন, বিশেষ করে তার সঙ্গে বাচ্চা থাকলে তার সব বিবরণ অবশ্যই নিয়ে রাখবেন। প্রয়োজনে স্থানীয় থানায় জমা দেবেন।

►    বাড়ির বাইরে যদি বেশি দিনের জন্য যান, তাহলে থানায় জানিয়ে যাবেন।

 

 বিপদে পড়লে

► মাঝেমধ্যেই পরিবারের সবাই মিলে বসে হঠাৎ বিপদ ঘটলে কী করণীয় তা আলোচনা করে নেবেন। এতে বিপদের সময় ভয়ে সব গুলিয়ে যাবে না।

►    বাড়িতে যদি আগুন লাগে তাহলে কী করা উচিত, তা যেন সবাই অবশ্যই শিখে রাখেন। ফায়ার এক্সটিংগুইশার কোথায় আছে, কিভাবে ব্যবহার করতে হয় সেটা যেন সবার জানা থাকে। ফায়ার সার্ভিসের ফোন নম্বর যেন টেলিফোনের কাছে রাখা থাকে।

►    হঠাৎ আগুন লাগলে কোথা দিয়ে বেরোবেন তা বাড়ির সবাই ঠিক করে রাখবেন। স্মোক অ্যালার্ম বা বার্গলার অ্যালার্ম সব সময়ই লাগানো উচিত।

►    কখনো কাপড়ে আগুন লাগলে কেউ যেন ভয়ে ছোটাছুটি না করে। মাটিতে শুয়ে গড়াগড়ি খেতে খেতেই যেন সবাইকে ডাকে।

►    ডাক্তার, গ্যাস, পুলিশ ইত্যাদি সব ধরনের ইমার্জেন্সি নম্বর একটা নোটবুকে রেখে ফোনের কাছে রাখুন।

►    বড়রা, যাঁরা বাড়ির বাইরে থাকেন, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগের নম্বর যেন বাড়িতে যাঁরা থাকছেন (বাচ্চা, কাজের লোক, বয়স্করা) তাদের কাছে দেওয়া থাকে। ইমার্জেন্সি ওষুধ যেন হাতের কাছেই থাকে।

►    বাড়িতে বয়স্করা থাকলে তাঁদের যদি কোনো বিপদ ঘটে, তাহলে কোন হাসপাতালে নিয়ে যাবেন সে সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকবেন।


মন্তব্য