kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।

কাজের মাঝে সাজ

শত কাজ আর অতিথি আপ্যায়নেই কেটে যাবে দিন। তাই সাজ হোক সহজ আর সময় সাশ্রয়ী। ঈদ উৎসবের সাজ নিয়ে পরামর্শ দিয়েছেন রূপবিশেষজ্ঞ বীথি চৌধুরী

৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



কাজের মাঝে সাজ

সকালে গোসলের পরই চট করে সেরে নিন সাজ। তারপর রান্নাঘরে।

খুব বেশি সময় লাগবে না। চুলার আঁচ রোদের মতোই ক্ষতিকর। তাই এসপিএফ ৩০-৪৫ যুক্ত সানস্ক্রিন মুখে লাগান। এর ওপর একটু পাউডার বুলিয়ে শেষ করুন বেইজ। আই ভ্রু-পেনসিল ব্যবহার না করে ব্রাশ দিয়ে ভ্রুটা সুন্দর করে শেপ করে নিন।   চোখের সাজে ঘন করে কাজল দিন। হালকা সোনালি বা বাদামি রঙের শ্যাডো ব্যবহার করতে পারেন। ব্লাশন ব্যবহার না করে কনট্যুর করে চিকবোনটা একটু ডার্ক করে নিন। তেলমুক্ত প্রসাধনী ব্যবহার করুন। দীর্ঘস্থায়ী সাজ পাবেন। উৎসবের লুক ফুটিয়ে তুলুন লিপস্টিকে। ইচ্ছামতো একটা উজ্জ্বল রঙের লিপস্টিক দিন ঠোঁটে। রান্নাঘরের কাজে স্বাচ্ছন্দ্য জরুরি। ভেজা চুল ফ্যানের বাতাসে শুকিয়ে নিন। সামনে ইচ্ছামতো টুইস্ট বা হালকা পাফ করে পেছনে শক্ত করে একটা হাতখোঁপা করে নিন। কাজে আরাম পাবেন।

কাজ শেষে সন্ধ্যার সময়টাই মনমতো সাজার। মেকআপ একটু ভারী হতেই পারে। ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে তারপর ফাউন্ডেশন লাগান। ম্যাট ফাউন্ডেশন এই সময় আদর্শ। কনট্যুরিংয়ের চেয়ে হাইলাইটের ট্রেন্ড জনপ্রিয় এখন। ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মানানসই উজ্জ্বল চকচকে রঙের হাইলাইট সাজে আনবে ভিন্নমাত্রা। স্কিন টোনের চেয়ে একটু গাঢ় কনট্যুরিং পাউডার ব্যবহার করুন। গালের দুই পাশে, কাপালের ওপরের অংশে এবং নাকের দুই পাশে কনট্যুর পাউড়ার ব্রাশ দিয়ে লাগান। আর হাইলাইটিংয়ের জন্য ত্বকের চেয়ে দুই শেড হালকা পাউডার বেছে নিন। চোখের নিচে ও গালে, কপালের মাঝখানে ও নাকের ওপর হাইলাইট করুন। সোনালি, রুপালি, কপার, ব্রোঞ্জ বা রোজগোল্ড ইচ্ছামতো ব্লাশন দিন। বিকেল কিংবা রাত—সাজ যখনই হোক, চোখের সাজের ট্রেন্ড এখন ন্যাচারাল। হালকা রঙের শ্যাডো, মাশকারা আর কাজল রাখুন চোখের সাজে। একটু গ্লসি শ্যাডো রাতে যোগ করবে বাড়তি চমক। কয়েক দফা মাশকারা লাগান চোখে। চোখের পাতা ঘন দেখালে আরো আর্কষণীয় লাগবে চোখটা। ঠোঁটে অবশ্যই উজ্জ্বল রঙের মানানসই কোনো রং।   

বাহারি খোঁপা, বেণী আর মেটালিক চুলের কাঁটার ব্যবহার আপনার যেকোনো লুকের সঙ্গেই মানিয়ে যাবে। চুল স্ট্রেইট করে নিচের দিকটা কার্ল করে রাখতে পারেন। কিংবা সব চুল কার্ল করে ফেলুন। তারপর তাতে ইচ্ছামতো হেয়ার স্টাইল করুন। একটু অগোছালোভাবে পাঞ্চক্লিপ কিংবা সামনে একটু পাফ হেয়ার স্টাইল বেছে নিন। মোট কথা হেয়ার স্টাইল যা-ই হোক, তাতে কার্লের ছায়া রাখুন।

থাকুক ব্যস্ততা। তবু ঈদ বলে কথা। মেহেদি ছাড়া যেন ঈদটাই অসম্পূর্ণ। আগের রাতেই মেহেদির আলপনায় সাজিয়ে নিন দুই হাত। পাঁচ মিনিটের মেহেদি না। এই মেহেদিতে রং দ্রুত পাওয়া গেলেও তা ক্ষণস্থায়ী। তাই হার্বাল মেহেদি ব্যবহার করুন। ফুল-পাতা, ময়ূর, কলকার মতো চিরায়ত নকশায় সাজাতে পারেন হাত। হালকা ছিমছাম নকশার ট্রেন্ড এখন। মেহেদি নকশা করার সময় খেয়াল রাখুন, যেন খুব চিকন বা মোটা না হয়ে যায়।

 

মডেল : নাজিফা

ছবি : কাকলী প্রধান


মন্তব্য