kalerkantho


তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি : রিজভী

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ জানুয়ারি, ২০১৯ ১৩:৫৩



তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি : রিজভী

ফাইল ছবি

সময় থাকতে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।

তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করে দেশে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের ইতিহাসে ‘কলঙ্কিত’ নির্বাচন। সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় নির্বাচনের আগের রাতেই ব্যালট বাক্স ভর্তি করে রাখা হয়েছে। কৃত্রিম লাইন তৈরি করে ভোটাদের কেন্দ্রে যেতে দেওয়া হয়নি। মহাজোট ছাড়া অন্য কোনো প্রার্থীর এজেন্টদেরও কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেয়নি। ভোটের ফলাফল সরকার দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচনের আগে বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের হয় কারাগারে নয়তো এলাকা ছাড়া করা হয়েছে। সেই ভুয়া ভোটে এমপি-মন্ত্রী নির্বাচিত হয়ে এখন তা জায়েজ করতে বেপরোয়া হয়ে পড়েছেন আওয়ামী নেতারা।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব বলেন, সোহরাওয়ার্দীতে আওয়ামী লীগের জনসভায় ও সোমবার (২১ জানুয়ারি) ভুয়া ভোটের মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন তাতে তিনি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট ডাকাতিকে বিষয় এড়িয়ে গেছেন। যা দেখে গণমাধ্যমের কর্মীরা বিস্মিত হওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মিডিয়াগুলোতেও রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বিবিসির রিপোর্টে বলা হয়েছে যে শনিবারের জনসভায় বহু মানুষের চোখ ছিল-নির্বাচনে কারচুপির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কী বলেন। কিন্তু, তা নিয়ে তিনি একটি শব্দও উচ্চারণ করেননি। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকারের লক্ষ্যই হচ্ছে মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন। দুর্নীতি ও মাদকবিরোধী অভিযানের বিষয়ও কথা বলেছেন তিনি।

মহাভোট ডাকাতির ইস্যুগুলো ধামাচাপা দিতেই এখন প্রধানমন্ত্রী এসব পদ্ধতি অবলম্বন করছেন দাবি করে রিজভী বলেন, মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে, রাতের আধারে ভোট দিয়ে, বিচার বিভাগকে ধ্বংস করে, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে বেআইনি কাজে ব্যবহার করে, বিরোধী দলকে নির্মূল করে, গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করে, খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে কারাগারে রেখে শেখ হাসিনা সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে চান।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপিকা সাহিদা রফিক, নজমুল হক নান্নু, বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, সহ-দফতর সম্পাদক মুনীর হোসেন প্রমুখ।



মন্তব্য