kalerkantho


বগুড়া-৭ আসনে বিএনপি প্রার্থীশূন্য হওয়ার আশঙ্কা কেটে গেলো

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৭:২৩



বগুড়া-৭ আসনে বিএনপি প্রার্থীশূন্য হওয়ার আশঙ্কা কেটে গেলো

বগুড়া-৭ আসনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার পাশাপাশি বিএনপি মনোনীত সব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আজ বৃহস্পতিবার আপিল শুনানির পর বিএনপি প্রার্থীশূন্য ওই আসনে বিএনপি মনোনীত মোরশেদ মিল্টনের প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা করেছে কমিশন।

এর ফলে দলটির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মস্থান গাবতলী-শাহজাহানপুরে বিএনপি প্রার্থীশূন্য হওয়ার যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিলো তা কেটে গেলো।

এর আগে গত ২ ডিসেম্বর বগুড়া জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়পত্র বাতিল করেন। এ সময় মিল্টন উপজেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করলেও সেটা গ্রহণ হয়নি মর্মে প্রার্থিতা বাতিল হয়। একই অভিযোগে বগুড়ার আরও দুই উপজেলা চেয়ারম্যান জামায়াত প্রার্থী কাহালু মওলানা তায়েব আলী এবং শেরপুরের আলহাজ্ব দবিবুর রহমানেরও মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

বগুড়া-৭ আসনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিকল্প হিসেবে গাবতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোরশেদ মিলটনকে মনোনয়ন দিয়েছিল দলটি। ২ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে উভয়কেই অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছিল।

আসনটিতে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ছিল শাজাহানপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সদস্য সরকার বাদল। তারও মনোনয়নপত্র বাতিল হলে আসনটিতে প্রার্থী শূন্য হয় বিএনপি।

মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া সংক্ষুব্ধ প্রার্থীদের আপিল শুনানি চলছে নির্বাচন কমিশনে। এরই মধ্যে গোলাম মাওলা রনিসহ আলোচিত বেশ কয়েকজন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। আজ ১৬০ প্রার্থীর আপিল শুনানি হচ্ছে।

শুনানিতে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় সন্তোষ জানিয়ে ভোটের মাঠে পরিবেশ সুষ্ঠু রাখার আহ্বান জানিয়েছেন অনেকে। আর বাদ পড়া প্রার্থীরা উচ্চ আদালতে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

প্রথম দফার আপিলকারীরা সকালেই নির্বাচনে কমিশনে আসেন। দশটায় শুরু হয় আপিল শুনানি।

নির্বাচন কমিশন প্রথম দিন আপিলের ক্রমিক ১ থেকে ১৬০, দ্বিতীয় দিনে ১৬১ থেকে ৩৩০ ও তৃতীয় দিনে ৩৩১ থেকে অবশিষ্ট আপিলগুলোর নিষ্পত্তি করা হবে। মনোনয়ন পত্র বাতিল হওয়া ৫৪৩ জন সংক্ষুব্ধ প্রার্থী ৩ থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন।



মন্তব্য