kalerkantho


এমপি রতনের পরিবর্তন ও নৌকার বিজয় সুনিশ্চিতকরণের লক্ষ্য

ধর্মপাশায় এক দাবি নিয়ে এক মঞ্চে ছয় মনোনয়নপ্রত্যাশী

হাওরাঞ্চল (নেত্রকোনা-সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি    

১২ অক্টোবর, ২০১৮ ২০:০৯



ধর্মপাশায় এক দাবি নিয়ে এক মঞ্চে ছয় মনোনয়নপ্রত্যাশী

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জ-১ (ধর্মপাশা-জামালগঞ্জ ও তাহিরপুর) আসনের বর্তমান এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের পরিবর্তন ও নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে ধর্মপাশায় এক বিশাল জনসমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। আজ শুক্রবার বিকেল ৩টায় উপজেলার সেলবরষ ও পাইকুরাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে বাদশাগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ জনসমাবেশের আয়োজন করা হয়। 

এ সমাবেশকে সফল করতে সকাল ৯টা থেকেই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে ট্রলার, মোটরসাইকেল, অটোবাইক ও লেগুনার বহর নিয়ে শত-শত নেতাকর্মী নৌকার শ্লোগান দিতে দিতে সভাস্থলে এসে জড়ো হতে থাকেন। ক্ষমতাসীন দলেন তৃণমূলের নেতাকর্মীসহ অন্তত ৫ সহস্রাধিক লোকের সমাগম ঘটে।

সমাবেশে আগামি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগের ছয় মনোনয়নপ্রত্যাশী একই মঞ্চে বক্তব্য রাখেন।

মনোনয়নপ্রত্যাশীরা হলেন- এ আসন থেকে দুইবার নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য বর্ষিয়ান নেতা সৈয়দ রফিকুল হক সোহেল, জেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহ সভাপতি রেজাউল করীম শামীম, ধর্মপাশা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও মনোনয়নপ্রত্যাশী ঐক্যজোটের আহ্বায়ক রফিকুল হাসান চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট হায়দার চৌধুরী লিটন, কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের মানব বিষযক সম্পাদক 'হাওর কন্যা' অ্যাডভোকেট শামীমা শাহারিয়ার, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ও সাবেক যুগ্ম সচিব বিনয় ভূষণ তালুকদার ভানু এবং জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল করিম।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল হাই তালুকদারের সভাপতিত্বে এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জুবায়ের পাশা হিমুর সঞ্চালনায় ছয় মনোনয়নপ্রত্যাশী ছাড়াও বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহ সভাপতি আলমগীর কবীর, উপজেলা কৃষক লীগের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আব্দুল আজিজ চৌধুরী, যুগ্ম আহবায়ক সুলতান আহম্মদ তালুকদার, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ইকরাম হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, মোয়াজ্জেম হোসেন রতন এমপি হওয়ার পর থেকেই এ তিনটি উপজেলার আওয়ামী লীগের তৃণমূলের ত্যাগী ও পরিক্ষিত নেতাকর্মীদের নানাভাবে হয়রানি করে তাদেরকে কোণঠাসা করে রেখেছেন। স্বাধীনতার পর থেকেই এ আসনের আওয়ামী লীগ একটি সুসংগঠিত দল। এমপি রতনের অত্যাচারে ছত্রভঙ্গ আওয়ামী লীগকে পুনরায় ঐক্যবদ্ধ করাসহ আগামী নির্বাচনে এ আসনে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যেই আমরা সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। 

বক্তরা আরো বলেন, আজকের এই জনসমাবেশে বৃষ্টিতে ভিজে তৃণমূলের নেতাকর্মীসহ হাজার হাজার নিপীড়িত-নির্যাতিত মানুষের অংশগ্রহণই প্রমাণ করে যে, এ আসনে আর এমপি রতনকে দেখতে চায় না কেউ। তাই আমরা আগামি নির্বাচনে এমপি রতনের পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এ সাংগঠনিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবো।



মন্তব্য