kalerkantho


সাংসদসহ আওয়ামী লীগের ১৩ নেতার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১৬:০৩



সাংসদসহ আওয়ামী লীগের ১৩ নেতার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

সংসদ সদস্যসহ দলের ১৩ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়েছে আওয়ামী লীগ। অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও দায়িত্বে অবহেলার কারণে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের কাছে জবাব চাওয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। 

এ ব্যাপারে আজ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের ওবায়দুল কাদের  বলেন, “ওয়ার্কিং কমিটির মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়েছি, যারা এমপিদের অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে, তাদের কড়া ভাষায় শোকজ করা হয়েছে। আবার যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাদের বলা হয়েছে দলীয় নেতা-কর্মীদের এত ক্ষোভ কেন। দুই পক্ষকেই চিঠি দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, “আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এর জবাব দিতে হবে। সব দিক বিবেচনা করেই এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় কোন্দলের কারণে মেয়র প্রার্থী বদরউদ্দিন আহমদ কামরানর পরাজয় হন। এ জন্য আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দীন সিরাজ, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম নাদেলকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি হয়েও সর্বশেষ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সাতটি ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর প্রার্থী দিতে ব্যর্থ হয়েছেন তা জানতে চেয়ে বদরউদ্দিন আহমেদ কামরানকে চিঠি দেওয়া হয়েছে ।

দিনাজপুরের বীরগঞ্জের সাংসদ মনোরঞ্জন শীল গোপালকে নিজ সংসদীয় এলাকায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করায় দুইজনকে কারণ দর্শাতে জন্য বলা হয়েছে। এরা হলেন- বীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাকারিয়া জাকা, দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের আইন সম্পাদক অ্যাডভোকেট হামিদুল ইসলাম। অপরদিকে স্থানীয় নেতাকর্মীরা কেন বিরুদ্ধে গিয়েছে তার জবাব চাওয়া হয়েছে সংসদ সদস্য  গোপালের কাছে।

রাজশাহীতে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক আহসানুল হক মাসুমকে কারণ দর্শানোর নোটিস এবং পরিস্থিতির ব্যাখ্যা চেয়ে তাদেরকে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়াও বরগুনা-১ আসনের সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর সঙ্গে বিরোধের কারণে  কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম সরোয়ার টিপু এবং জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেনকে। বর্তমান পরিস্থিতি কেন সৃষ্টি হয়েছে তা জানতে চেয়ে চিঠিও দেওয়া হয়েছে এমপি শম্ভুকে।



মন্তব্য