kalerkantho


বুলবুলকে নিয়ে ফেসবুকে গুজব ছড়ানোয় ২ এজাহার

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৯ জুলাই, ২০১৮ ০৯:০৭



বুলবুলকে নিয়ে ফেসবুকে গুজব ছড়ানোয় ২ এজাহার

রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) নির্বাচনের মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল ‘পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন’ বলে ফেসবুকে স্ট্যাটাসে গুজব ছড়ানোর দায়ে থানায় দুটি এজাহার দাখিল করা হয়েছে।

রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানায় শনিবার (২৮ জুলাই) দুপুরে মহানগর আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুসাব্বিরুল ইসলাম আইসিটি আইনে এজাহার দু’টি দাখিল করেন।

এর একটিতে ছাত্রদলের পাথরঘাটা শাখার সভাপতি হাসান আল বাকের মেসাল এবং অপরটিতে বদিউজ্জামান সাহেদকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তবে রাত ১০টা পর্যন্ত দাখিলকৃত এজাহার দু’টি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়নি।

এজাহারের বিবরণে বলা হয়েছে, গত ২৬ জুলাই বিকেল আনুমানিক ৬টার দিকে বদিউজ্জামান সাহেদ তার ফেসবুক আইডিতে ‘দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু করার প্রহসনের প্রতিশ্রুতির নমুনা’ শিরোনামে ‘রাজশাহী সিটি নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল ভাইয়ের পায়ে গুলি করেছে পুলিশ’ এবং জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল পাথরঘাটা পৌরসভা শাখার সভাপতি হাসান আল বাকের মেসাল তার ফেসবুক আইডিতে ‘মানবতা আজ মৃত, হিংস্রতা আজ উল্লাসে মেতেছে ধিক্কার এই স্বৈরশাসকের শাসনের...’ ‘রাজশাহী সিটি নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল ভাইয়ের পায়ে গুলি করেছে পুলিশ’ শিরোনামে তার ফেসবুক আইডিতে স্ট্যাটাস দিয়ে অপপ্রচার এবং গুজব ছড়ান।

উভয় ঘটনায় সাক্ষী করা হয়েছে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এসএম কামাল হোসেন এবং মনিরুজ্জামান শেখ রাহুলকে। উভয় সাক্ষী ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেখে বাদিকে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে গিয়ে বিকেলে জানান। ওই স্ট্যাটাসটি দেখে বাদী চরমভাবে আহত হন এবং তার অনুভূতিতে আঘাত লাগে। কারণ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে একজন মেয়র প্রার্থী এবং আওয়ামী লীগের মহানগর সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনও একজন মেয়র প্রার্থী। মিথ্যা স্ট্যাটাস দিয়ে এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ও সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাধারণ জনগণের অনুভূতিতে আঘাত করা হয়েছে।

বিষয়টি সম্পর্কে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন শনিবার দুপুরে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে আইনের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। 

তবে রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমান উল্লাহ বলেন, আলাদা দুটি লিখিত এজাহার পাওয়া গেছে। তদন্ত-সাপেক্ষে এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।



মন্তব্য