kalerkantho


রঙিন পানিতে ভিজতে হয়েছে মির্জা ফখরুলকেও

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ১৬:৪৮



রঙিন পানিতে ভিজতে হয়েছে মির্জা ফখরুলকেও

নয়া পল্টনে কালো পতাকা প্রদর্শন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণরত বিএনপি নেতা-কর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান থেকে যে রঙিন পানি ছুড়েছে, তাতে ভিজেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও।

কালো পতাকা নিয়ে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ফটকের সামনে বিএনপি নেতা-কর্মীরা বসে পড়ার পর প্রথমে ধাওয়া ও লাঠিপেটা করে পুলিশ। এরপর জল কামানের গাড়িটি সক্রিয় হয়, গরম রঙিন পানি ছুড়তে থাকে ফটকের সামনে অবস্থান নেওয়া নেতা-কর্মীদের উপর।

ওই সময় বিএনপি মহাসচিব হাত উঁঠিয়ে পুলিশকে তা ছুড়তে বারণ করলে জলকামানের নল বিএনপি মহাসচিবের দিকেই তাক করে পুলিশ। মুহূর্তে মধ্যে ফখরুলের সাদা স্ট্রাইপের ফুল শার্ট ভিজে যায়। তার প্যান্ট ও মুখমণ্ডলেও লাগে রঙিন পানির ছটা।

মহাসচিব বাঁচতে কয়েকজন নেতা-কর্মী পানির সামনে দাঁড়লেও রক্ষা হয়নি। এক পর্যায়ে ফখরুলকে কয়েকজন নেতা-কর্মী ফটকের ভেতরে  নিয়ে যান। তিনি  তৃতীয় তলায় নিজের চেম্বারে গিয়ে ভেজা জামা-কাপড় বদলে নেন। তার দেড় ঘণ্টা পর বেলা ১২টায় যখন সংবাদ সম্মেলনে আসেন, তখন বিএনপি মহাসচিবকে দেখা গেছে পাঞ্জাবি পরা অবস্থায়।

বিএনপি নেতারা জানান, দলেরই অন্য এক নেতার পাঞ্জাবি পড়ে সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন ফখরুল। এরপর দোকান থেকে পাঞ্জাবি ও পায়জামা কিনে এনে তা পরে তিনি বেলা দেড়টার দিকে নেতা-কর্মীদের নিয়ে কার্যালয় ছেড়ে যান।

কালো পতাকা কর্মসূচি পালনে ঢাকার নয়া পল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে শনিবার সকালে অবস্থান নেওয়া বিএনপি নেতা-কর্মীদের উপর জলকামান থেকে রঙিন পানি ছোড়ে পুলিশ। কালো পতাকা কর্মসূচি পালনে ঢাকার নয়া পল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে শনিবার সকালে অবস্থান নেওয়া বিএনপি নেতা-কর্মীদের উপর জলকামান থেকে রঙিন পানি ছোড়ে পুলিশ।

রাজনৈতিক অঙ্গনে সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত মির্জা ফখরুল আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এ পর্যন্ত ৭ বার গ্রেপ্তার হয়ে মোট ৩৫২ দিন কারাগারে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা ৮৭টি।

এদিকে ফখরুলের সঙ্গে সংবাদ সম্মেলন করে বের হওয়ার সময় বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে গ্রেপ্তারের সময় তার সঙ্গে পুলিশ দুর্ব্যবহার করে বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘সাবেক এমপি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের সাথে পুলিশ যে নৃশংস আচরণ করেছে তা মনুষ্যত্বহীন। তার ঘাড় জাপটে ধরে শার্টের কলার ও বুকের-পিঠের কাপড় টেনে সিএনজিতে তোলা হয়। একজন শিক্ষিত ও মননশীল রাজনীতিবিদের সাথে পুলিশের এই আচরণ আমাদের সেই অভিযোগটি প্রমাণিত হলো যে, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ দ্বারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ভরা হয়েছে।’


মন্তব্য