kalerkantho


রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরকার কূটকৌশল করছে : ড. মোশাররফ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ১৫:০৪



রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরকার কূটকৌশল করছে : ড. মোশাররফ

মিয়ানমার সরকারের মতো রোহিঙ্গা সমস্যা ধামাচাপা দিতে এই সরকারও কূটকৌশল গ্রহণ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা হত্যাযজ্ঞের শিকার।

অথচ মিয়ানমার সরকার বলছে তারা নাকি সন্ত্রাস দমনে কাজ করছে। তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য বাংলাদেশের সরকার জনগণের মনের কথা প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়েছে। কারণ, এই সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। আজ শনিবার সকাল ১১টার দিকে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব কথা বলেন।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিএনপি নোংরা রাজনীতি করছে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের দেয়া এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে মোশাররফ বলেন, উনার বক্তব্য অত্যন্ত দুঃখজনক। সমগ্র বিশ্ব দেখছে কীভাবে একটি জাতিগোষ্ঠীকে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের মাধ্যমে মিয়ানমার সরকার নির্মূল করে দেয়ার চেষ্টা করছে। আমরা শুধু জনগণের মনে কথার প্রতিফলন ঘটিয়ে মানববন্ধন করেছি, এখানে নোংরামির প্রশ্নই আসে না। আমরাই সঠিক কথা বলছি, বরং সরকার আজকে মিয়ানমার সরকারের মতো রোহিঙ্গা সমস্যা ধামাচাপা দিতে নানা কূটকৌশল গ্রহণ করেছে। যা এদেশের জনগণ গ্রহণ করছে না।

তাই আমরা মনে করি সারা পৃথিবী যা দেখছে সেটাই সত্য আর মিয়ানমার সরকার যা বলছে এবং বাংলাদেশ সরকার যে সাফাই গাইছে তা কখনও সঠিক নয়। তিনি বলেন, প্রাণের ভয়ে যেসকল রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আসছে তাদেরকে সাময়িকভাবে আশ্রয় দিয়ে পরবর্তীকালে তাদেরকে মিয়ানমারে ফিরিয়ে দিলে তারা যাতে করে সেই দেশে নাগরিকত্ব পায় সে ব্যাপারে সরকারকে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

আমরা একটি জাতিগোষ্ঠীকে নির্মূল করে দেয়া কখনো সমর্থন করি না। কারণ ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় আমাদেরও ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করতে হয়েছিল। তখনো কিন্তু যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধীতা করেছে তারা বলেছিল- কোনো কিছুই না, এরা (আমরা) শুধু শুধু বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাচ্ছে। সাবেক এই মন্ত্রী আরো বলেন, আওয়ামী লীগের সৃষ্ট রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণ করার জন্য স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছেন। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের প্রায় অর্ধেক মহিলা তাই মহিলাদের সংগঠিত করার জন্য তিনি জাতীয়তাবাদী মহিলা দল প্রতিষ্ঠা করেছেন।

তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন আর আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়া সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। শহীদ জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা জানানোর সময় বিএনপির বিশেষ সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সহসভপাতি জেবা খান, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরীন খানসহ সংগঠনের বিভিন্ন ইউনিটের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

 


মন্তব্য