kalerkantho


'গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১২:২৭



'গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন'

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত তার দল আন্দোলন চালিয়ে যাবে। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে নেতাকর্মীদের নিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানানোর পর ফখরুল সাংবাদিকদের বলেন, একুশের শহীদরা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় জীবন দিয়েছিলেন।

সেই চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বর্তমান প্রেক্ষাপটে গণতন্ত্রের জন্য বৃহত্তর আন্দোলন করতে হবে।

''আমাদের প্রতিজ্ঞা একুশের চেতনার যে গণতন্ত্র, তা হারিয়ে গেছে। তা পুনরুদ্ধারে আমরা আমাদের সংগ্রাম চালিয়ে যাব। বিজয় অর্জন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। ''

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, "একুশের চেতনা ছিল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাও ছিল গণতন্ত্র। আজ দেশকে গণতন্ত্রহীন রেখে ক্ষমতাসীনরা শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেঈমানি করেছে। "

এর আগে সকালে মির্জা ফখরুল বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে আজিমপুরে ভাষা শহীদদের কবরে যান। পরে বলাকা সিনেমা হলের সামনে থেকে নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রভাতফেরি করে শহীদ মিনারে আসেন।

দলের জ্যেষ্ঠ নেতা আমানউল্লাহ আমান, আবদুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, রুহুল কবির রিজভী, খায়রুল কবির খোকন, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, আশরাফউদ্দিন উজ্জ্বল, তাইফুল ইসলাম টিপু, শায়রুল কবির খান এ সময়ে তার সঙ্গে ছিলেন।

অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ছিলেন অধ্যাপক মামুন আহমেদ, মুন্সী বজলুল বাসিত আনজু, হাসানুর রহমান হাসান, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, শফিউল বারী বাবু, আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল, হেলাল খান, সুলতানা আহমেদ, হেলেন জেরিন খান ও রাজিব আহসান।

এর আগে একুশের প্রথম প্রহরের পর রাত ১টা ৩২ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

সে সময় মির্জা ফখরুল ছাড়াও দলের জ্যেষ্ঠ নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মাহবুবুর রহমান, জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, আবদুল্লাহ আল নোমান, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সেলিমা রহমান, মোহাম্মদ শাহজাহান, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, শাহজাহান ওমর, আমানউল্লাহ আমান, খায়রুল কবির খোকন, নাজিমউদ্দিন আলম, শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি সেখানে উপস্থিত ছিলেন।


মন্তব্য