kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সন্ত্রাস মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করলেন বিদেশি প্রতিনিধিরা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ অক্টোবর, ২০১৬ ২৩:৪৪



সন্ত্রাস মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করলেন বিদেশি প্রতিনিধিরা

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনে যোগদান করা বিদেশি প্রতিনিধিগণ দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং নারীর ক্ষমতায়নের ন্যায় সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।
আজ রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ চমৎকারভাবে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমন করছে।


সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গি তৎপরতা, দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং নারীর ক্ষমতায়ন ছাড়াও বাংলাদেশ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, খাদ্য নিরাপত্তা, পার্শ্ববর্তী দেশসমূহের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি, পরিবেশ বিশেষ করে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিনিধিগণ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন।
তাদের জন্য ‘পাঁচ তারকা মানের’ আতিথেয়তার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে ঢাকা শহরকে সুসজ্জিত করায় তারা অভিভূত।
এ সময় জনপ্রশাসন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম শাহরিয়ার আলম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ডা. দীপু মনি, আন্তর্জাতিক সম্পাদক ফারুক খান, ডা. হাবিবে মিল্লাত এমপি, কাজী নাবিল আহমেদ এমপি এবং মাহজাবিন খালেদ এমপি উপস্থিত ছিলেন।
সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ সকল সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে তাঁর সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, সন্ত্রাস এবং জঙ্গিবাদ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে তাঁর সরকার অভিভাবক, শিক্ষক এবং ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং সকল পেশার জনগণকে সম্পৃক্ত করেছে।
এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, গত ১ জুলাই গুলশানে একটি রেস্তোরাঁয় হামলার পরে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়াতে তিনি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সকল পেশার মানুষের সাথে কথা বলেছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ ইস্যুতে প্রচারণা চালাতে জনগণের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পেয়ে তিনি অভিভূত।
অন্য কোন দেশে সন্ত্রাসী কর্মকা- পরিচালনায় বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার করতে না দেয়ার তাঁর সরকারের অবস্থানের কথাও প্রধানমন্ত্রী পুনরুল্লেখ করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, অতীতে সেনাবাহিনীর কেউ কেউ আইনের তোয়াক্কা না করে এবং সংবিধান লংঘন করে হঠাৎ করে ক্ষমতা দখল করে নিজেকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে ঘোষণা করেছে।
এ সকল স্বৈর শাসকরা রাজনীতিবিদদেরকে তাদের সঙ্গে যোগ দিতে বাধ্য করেছে। তিনি আরো বলেন, সে সময়ে গণতন্ত্রের কোন চর্চা ছিল না।
তিনি বলেন, তবে আওয়ামী লীগ একটি রাজনৈতিক দল যার ব্যাপক গণভিত্তি রয়েছে এবং এই দল দেশ এবং দেশের জনগণের উন্নয়ন ও কল্যাণে কাজ করছে।
নারীর ক্ষমতায়নে তাঁর সরকারের সাফল্য প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, নারী সমাজকে বাদ দিয়ে দেশের কাক্সিক্ষত উন্নতি সম্ভব নয়। কেননা জনসংখ্যার অর্ধেক নারী।
এর আগে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)’র ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. বিনয় প্রভাকর সহ¯্রাবুদ্ধের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল আজ সন্ধ্যায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।  
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান, বিজেপি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গবেষণা উইং সেন্টার ফর রিসার্চ এন্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) কার্যক্রম সম্পর্কে তাদের গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
তারা সিআরআই এবং বিজেপি গবেষণা সেলের মধ্যে সহযোগিতার গুরুত্বারোপ করেন।


মন্তব্য