kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


'জঙ্গি ও সন্ত্রাসমুক্ত দেশ গড়তে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৭ অক্টোবর, ২০১৬ ২১:৩৮



'জঙ্গি ও সন্ত্রাসমুক্ত দেশ গড়তে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে'

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, জঙ্গি ও সন্ত্রাসমুক্ত দেশ গড়তে সরকারের পাশাপাশি সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, জঙ্গি এবং সন্ত্রাসবাদের কুপ্রভাব থেকে দেশকে মুক্ত রাখতে এবং জঙ্গিবিরোধী চেতনাকে এগিয়ে নিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সবার ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কোন বিকল্প নেই।

 
মন্ত্রী আজ রাজশাহী শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী জঙ্গিবাদ বিরোধী ‘ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ২০১৬’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা এ কথা বলেন।
ঋত্বিক ঘটক ফিল্ম সোসাইটি ও রাজশাহী ফিল্ম সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা বিশেষ অতিথি ছিলেন।  
তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের চলমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে দেশ থেকে জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষমতা শেখ হাসিনা সরকারের আছে।
তিনি জঙ্গি ও সন্ত্রাস দমনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুগান্তকারী নেতৃত্বেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন।
জঙ্গি ও সন্ত্রাস দমনে চলচ্চিত্র সহায়ক ভুমিকা পালন করতে পারে উল্লেখ করে ইনু বলেন, জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ দমনে চলচ্চিত্র সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম। এ মাধ্যমকে আমাদের কাজে লাগাতে হবে।
তিনি বলেন জোট সরকার যখন ক্ষমতায় ছিল, ঠিক তখন থেকে দেশে জেএমবি, জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদের উত্থান ঘটে। তবে বর্তমান সরকার যুদ্ধাপরাধের বিচার, দেশের উন্নয়নসহ সব যুদ্ধে যেভাবে বিজয় লাভ করছে, জঙ্গি দমনেও সরকার সেভাবেই বিজয়ী হবে ইনশাল্লাহ।  
তথ্যমন্ত্রী বলেন, রাজশাহীর ফিল্ম সোসাইটি সারা বাংলাদেশকে নিয়ে কাজ করে। জঙ্গি দমনে তাদের চলচ্চিত্র এবং সংস্কৃতির চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে।
তিনি বলেন, জঙ্গি ও জঙ্গিদের আশ্রয় প্রশ্রয়দাতা কাউকে ছাড় দেয়া হবে না, জঙ্গিবাদের কাছে সোনার বাংলা হারতে পারেনা, হারবে না।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি পরিবার যদি সজাগ থাকে তবে জঙ্গিরা পালাবার ঠাঁই পাবে না। মন্ত্রী চলচ্চিত্র নির্মাণে সব রকমের সাহায্য সহযোগিতারও আশ্বাস দেন।  
তথ্যমন্ত্রী এর আগে বাংলাদেশ টেলিভিশন, রাজশাহী উপকেন্দ্র এবং বাংলাদেশ বেতার রাজশাহী কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বলেন, চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং ঢাকা সফরের সময় বাংলাদেশ সরকারের সাথে বাংলাদেশ টেলিভিশনের পাঁচটি পূর্ণাঙ্গ ষ্টুডিও নির্মাণের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
সে লক্ষ্যেই মন্ত্রী বাংলাদেশ টেলিভিশন রাজশাহী কেন্দ্রের জন্য নির্ধারিত জায়গা পরিদর্শন করেন। তিনি বিটিভি রাজশাহী উপকেন্দ্রের চালুকৃত ১০ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ট্রান্সমিটার ঘুরে দেখেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ টেলিভেশন ঢাকা কেন্দ্রের অনুষ্ঠান অত্র উপকেন্দ্র থেকে সম্প্রচার করা হয়। মন্ত্রী রাজশাহীতে পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রের কাজ তাড়াতাড়ি শুরু করারও আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে ঋত্বিক ঘটক ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি ডা. এফএমএ জাহিদের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রাজশাহী ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি আহসান কবীর লিটন।


মন্তব্য